
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব বলেছেন, ‘যারা বোরকা পরে এই নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়েছেন, তারা আর কোনো দিন এ দেশে আসতে পারবেন না।’
তিনি বলেন, যুবদলসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ দেশের মানুষের পাশে ছিলেন এবং ভবিষ্যতেও যেকোনো ধরনের অরাজকতা মোকাবিলায় সম্মুখযোদ্ধা হিসেবে থাকবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে উপজেলার কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের প্রতিবাদে আয়োজিত এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যে খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অবস্থান তুলে ধরে বলেন, ‘আমাদের নেতা তারেক রহমান চরম ধৈর্য ধারণ করে এই দেশকে বিশ্বদরবারে নতুন রূপে তুলে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ ও দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং আমাদের নেতাকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা করছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই, বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে এবং তাঁরা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।’
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ও পৌর বিএনপি নেতা হারুন অর রশিদ মিঠু, কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান ও আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।
সমাবেশ শেষে একটি গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়।