ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কাজিপুরের চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

কাজিপুরের চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকার উন্নয়ন প্রকল্প

সিরাজগঞ্জে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর তত্ত্বাবধানে কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলে ৫৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কীমের কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে। এসব স্কীমের কাজ শেষ হলে চরাঞ্চলের দৃশ্যপট বদলে যাবে। ইতিমধ্যে এসব স্কীমের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার যমুনা নদীর চরাঞ্চলে নাটুয়াপাড়া, মুনসুরনগর, মাইজবাড়ী, তেকানি, চরগিরিশ, নিশ্চিন্তপুর ও শুভগাছা ইউনিয়ন রয়েছে। এসব ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে যমুনার ভাঙনে রাস্তাঘাট ও বিভিন্ন স্থাপনাও নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। প্রতিবছরই এ ভাঙনে চরাঞ্চলবাসী চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এ ভাঙনের কারণে বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগেও দীর্ঘদিন ধরে বিঘ্ন ঘটছে।

সরকার চরাঞ্চলবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রাস্তাঘাট ও ব্রিজসহ বিভিন্ন উন্নয়নে ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কীম বাস্তবায়নে ৫৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এসব প্রকল্পের আওতায় রয়েছে রাস্তাঘাট, ব্রিজ, সামাজিক বনায়ন ও মার্কেট উল্লেখযোগ্য।

এ প্রকল্পের স্কীমের কাজ বাস্তবায়নে সিরাজগঞ্জ এলজিইডি বিভাগ যথাসময়ে দরপত্র আহ্বান করে এবং সরকারি বিধি অনুযায়ী ৩৫ জন ঠিকাদার নির্বাচিত হন। নির্বাচিত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো ওই অর্থবছরের মার্চ থেকে এসব স্কীমের কাজ শুরু করে।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এলজিইডি বিভাগের সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, কাজিপুর উপজেলা পরিষদ থেকে বিচ্ছিন্ন যমুনা নদীর চরাঞ্চলে যোগাযোগে নানা ভোগান্তি রয়েছে। তারপরও এসব স্কীমের কাজ বাস্তবায়নে দ্রুত এগিয়ে চলছে।

বিশেষ করে এসব স্কীমের মধ্যে নাটুয়াপাড়া-চরগিরিশ ইউপি অফিস ভায়া রঘুনাথপুর বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন পাকাকরণ রাস্তার যমুনার শাখা নদীর ওপর ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮৮ মিটার ব্রিজ নির্মাণের কাজ চলছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের এসব স্কীমের কাজ সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রকৌশলীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তদারকি করছেন। ইতিমধ্যে এ ব্রিজসহ স্কীমগুলোর ৭৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে এবং আগামী জুন ২০২৭ সালের মধ্যেই এসব কাজ শেষ হবে।

এ বিষয়ে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান ‘আলোকিত বাংলাদেশ’কে বলেন, চরাঞ্চলে উন্নয়নের ১১টি প্রকল্পের আওতায় ৩৫টি স্কীমের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন এগিয়ে চলছে। তবে চরাঞ্চলের যোগাযোগে নানা দুর্ভোগ থাকলেও যথানিয়মে প্রকল্পের কাজ তদারকি করা হচ্ছে।

এ প্রতিবেদকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, স্কীমের কাজ বাস্তবায়নে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোনো প্রকার অনিয়মের আশ্রয় নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। এসব স্কীমের কাজ শেষ হলে চরাঞ্চলের দৃশ্যপট বদলে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উন্নয়ন প্রকল্প,৫৯ কোটি টাকা,কাজিপুরের চরাঞ্চল
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত