অনলাইন সংস্করণ
১৩:০২, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬
দীর্ঘদিন ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর পোল্ট্রি, সোনালি ও দেশি মুরগির দামে স্বস্তি ফিরেছে। কেজিপ্রতি সর্বোচ্চ ৫০ টাকা পর্যন্ত কমেছে এসব মুরগির দাম। তবে গরু ও খাসির মাংসের দামে কোনো পরিবর্তন নেই। অন্যদিকে মাছের বাজারে উল্টো চিত্র, প্রকারভেদে দাম বেড়েছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত।
আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
এক সপ্তাহ আগে সোনালি মুরগির কেজি যেখানে ৪০০ থেকে ৪১০ টাকা ছিল, তা কমে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায়। পোল্ট্রি মুরগির দামও কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা কমে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় নেমেছে। দেশি মুরগির দামও ৬০ থেকে ৭০ টাকা কমে ৭২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে লেয়ার মুরগির দাম উল্টো ২০ টাকা বেড়ে এখন ১৭০ টাকা কেজি হয়েছে।
এদিকে গরুর মাংস ৮০০ টাকা এবং খাসির মাংস ১১৫০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে আগের মতোই বিক্রি হচ্ছে।
এক মুরগি বিক্রেতা জানান, ঈদের আগে খামারে সংকট থাকায় মুরগির দাম বেড়েছিল। এখন উৎপাদন বাড়ায় বাজারে সরবরাহ বেশি হওয়ায় দাম কমেছে। তার মতে, সামনে আরও দাম কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তেলের দাম বাড়লেও মুরগির বাজারে তার তেমন প্রভাব পড়েনি।
মুরগির পাশাপাশি সবজির বাজারেও স্বস্তি ফিরেছে। করলা ও পটল ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কাঁকরোল ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দামই ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে উল্টো চিত্র দেখা গেছে। কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে বেশিরভাগ মাছের দাম। বাজারে ২২০ টাকার নিচে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ মাছ ২২০ টাকা থেকে বেড়ে ২৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রায় ১ কেজি ২০০ গ্রাম ওজনের রুই মাছ ৩৪০ থেকে ৩৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ৩০০ টাকা। আর ২ কেজির বেশি ওজনের রুই মাছ ৪২০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেশি। তেলাপিয়া, পাবদা, শোল ও টেংরাসহ অন্যান্য মাছের দামও একইভাবে বেড়েছে।
এক ক্রেতা বলেন, সবজি ও মুরগির দাম কিছুটা কমায় স্বস্তি মিলেছে। তবে মাছের দাম তুলনামূলক বেশি মনে হচ্ছে। তার মতে, তেলের দাম না বাড়লে বাজার আরও স্বাভাবিক হতে পারত।