
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটবর্তী হোটেলগুলোতে ভাতের দাম হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা। সম্প্রতি ভাতের এক প্লেটের মূল্য ১০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে হাফ প্লেট ভাতের দাম করা হয়েছে ১০ টাকা।
এদিকে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হল ডাইনিং ও ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ থাকায় আবাসিক শিক্ষার্থীরা খাবারের জন্য সম্পূর্ণভাবে আশপাশের হোটেলগুলোর ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। ফলে ভাতের মূল্যবৃদ্ধি তাদের দৈনন্দিন খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দোলনচাঁপা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী তাবাসসুম মেহেজাবিন বলেন, “আমরা যারা হলে থাকি, তাদের জন্য ডাইনিংই ছিল প্রধান ভরসা। এখন সেটাও বন্ধ। এই অবস্থায় ভাতের দাম বাড়ানো মানে আমাদের পকেটে সরাসরি চাপ দেওয়া। দিনে তিন বেলা খেতে গেলে মাস শেষে বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে।”
শিক্ষার্থীরা বলছেন, শিক্ষার্থীবান্ধব এলাকায় এমন মূল্য নির্ধারণ অন্যায্য ও অযৌক্তিক। তারা মনে করছেন, শিক্ষার্থীদের আর্থিক বাস্তবতা বিবেচনায় না নিয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে হোটেল মালিকপক্ষ মূল্যবৃদ্ধির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেছে। এক হোটেল মালিক বলেন, “চালের দাম বেড়েছে। বাজারে ভাতের প্লেট ২০ টাকা পর্যন্ত। আমরা লস দিয়ে ভাত বিক্রি করতে পারি না, তাই দাম বাড়াতে হয়েছে।”
এ বিষয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষার্থীবান্ধব মূল্য নির্ধারণ এবং দ্রুত হল ডাইনিং ও ক্যাফেটেরিয়া চালুর দাবি জানিয়েছেন।