ঢাকা সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

টিআইবি

১৭ মাসে ৯১.৭% সহিংসতায় বিএনপি জড়িত, ২০.৭% আ.লীগ

১৭ মাসে ৯১.৭% সহিংসতায় বিএনপি জড়িত, ২০.৭% আ.লীগ
প্রতীকী ছবি

২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ মাসে বাংলাদেশে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, এতে ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত এবং ৭ হাজার ৮২ জন আহত হয়েছেন।

এসব সহিংসতার ঘটনার মধ্যে ৫৫০টি (৯১.৭%) ঘটনায় বিএনপি জড়িত ছিল, ১২৪টি (২০.৭%) ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াত ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জড়িত ছিল বলে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর এক গবেষণায় উঠে এসেছে।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার ধানমন্ডি মাইডাস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন পরবর্তী দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করে টিআইবি।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের দখলে থাকা প্রতিষ্ঠান এবং কার্যক্রমের দখল, নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা, সংঘাত, পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি, সিলেটের কোয়ারি ও নদ-নদী থেকে পাথর লুটপাট, সেতু; বাজার; ঘাট; বালু মহাল ও জল মহাল ইত্যাদি ইজারা নিয়ন্ত্রণ, এসব ক্ষেত্রে দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর ছিল না। কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি দলগুলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনের মধ্যেই দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলেও জানায় টিআইবি।

গবেষণা প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং নতুন করে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ায় সহিংসতার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী মোট জনবলের মাত্র ৯ থেকে ১০ শতাংশ পুলিশ সদস্য হওয়ায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বড় ঘাটতি রয়েছে।

এছাড়া, ২০২৫ সালে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ৫০টিরও বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে, ডিপফেক ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার হুমকিকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

টিআইবি,রাজনৈতিক সহিংসতা,বিএনপি,জামায়াত,এনসিপি,গবেষণা প্রতিবেদন
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত