ঢাকা রোববার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ক্ষমতায় গেলে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য নতুন দপ্তর খুলবে বিএনপি: তারেক রহমান

ক্ষমতায় গেলে জুলাই যোদ্ধাদের জন্য নতুন দপ্তর খুলবে বিএনপি: তারেক রহমান

জনগণের ভোটের মাধ্যমে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জুলাই শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মতো পৃথক একটি দপ্তর খোলার আশ্বাস দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি এর আগে যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্বে ছিল, তখন মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কল্যাণে এই মন্ত্রণালয় দেখভাল করে থাকে। আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনে যোদ্ধা পরিবারের কিছুটা কষ্ট লাঘবের চেষ্টা করা হবে। কারণ তারাও এক ধরনের মুক্তিযোদ্ধা। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ে আরেকটি বিভাগ খোলা হবে, যাতে এইসব মানুষদের দেখভাল করা যায়।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, জুলাই আন্দোলনে ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছে। এর মধ্যে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন, যাদের এক চোখ হারিয়েছে অথবা কারও দুই চোখই নষ্ট হয়েছে এবং পঙ্গু হয়েছেন অনেকে। জুলাইয়ে যেভাবে দেড় হাজারের মতো মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, সেটিকে আমরা গণহত্যা বলতে পারি।

তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা শহিদ এবং আহত হয়েছেন, তাদের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা থেকেই নয়, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। সেসময় স্বাধীনতাকামী সব মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল।

তারেক রহমান বলেন, ২০২৪ এর আন্দোলন কোনও ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা দলের নয়। অধিকার হারা মানুষের গণ-আন্দোলন। যারা স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলনকে দলীয় স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে পরিণত করতে চায়, তাদের বিষয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রকামী প্রিয় মানুষকে সজাগ থাকা জরুরি।

গণআন্দোলনে আহতদের দুইভাবে ক্ষতিপূরণ দেয়ার চেষ্টা করতে পারেন জানিয়ে তিনি বলেন, এক—রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করা। দুই—মানুষের রাজনৈতিক এবং যোগ্যতা অনুযায়ী তার অর্থনীতি নিশ্চিত করা।

বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, হতাহতদের প্রতি রাষ্ট্রের অবশ্যই দায়িত্ব রয়েছে। জনগণের রায়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে পর্যায়ক্রমে তা পূরণ করবে বিএনপি।

নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য আগামী জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে ব্যর্থ হলে এভাবেই শোক সমাবেশ আর শোকগাঁথা চলতে থাকবে। আর শোকসামেবশ বা শেকগাঁথা নয়, গণতন্ত্রকামী মানুষ আগামী বাংলাদেশে গণতন্ত্রের বিজয়গাঁথা রচনা করবে।

তারেক রহমান,জুলাই যোদ্ধা,বিএনপির চেয়ারম্যান
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত