
তারেক রহমান বলেন, বিএনপি দেশের এবং মানুষের উন্নয়নে বিশ্বাসী। বিএনপির অভিজ্ঞতা আছে কীভাবে দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হয়। কীভাবে ছাত্রদের বা যারা তরুণ যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হয়। আমরা সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাব। মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে আমরা কাজ করব।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) মধ্যরাতে কুমিল্লার সোয়াগাজীর ডিগবাজী মাঠে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, আগামী নির্বাচনে আমরা সরকার গঠন করলে প্রতিটি ঘরে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড দেব, সেখানে আমাদের মা-বোনদের আমরা প্রতি মাসে কিছু সহযোগিতা করব। আমরা কিন্তু একবারও বলিনি যে প্রতি মাসে যা যা লাগবে, তার সম্পূর্ণটাই দেব। আমরা বলেছি, সরকার থেকে আমরা অন্তত ৭ দিনের একটি সহযোগিতা গ্রামের খেটে খাওয়া মানুষদের কাছে পৌঁছে দেব। আমরা এই কাজ করতে যাচ্ছি। আমরা একবারও বলিনি যে আমরা একেবারে সবাইকে একসঙ্গে দিয়ে দেব। আমরা বলেছি, এই কাজ আমরা ধীরে ধীরে করব। কারণ সরকারের অর্থকড়ির ব্যবস্থা আছে, অল্প অল্প করে আমরা এগুবো।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু একটি রাজনৈতিক সরকারের মেয়াদ থাকে পাঁচ বছর, আমরা চেষ্টা করব এই পাঁচ বছর যত বেশি সংখ্যক মায়েদের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া যায়। এটাই একদম সোজাসাপটা কথা, এর মধ্যে কোনো মারপ্যাঁচ নেই। এখন যারা বলছেন, তাদের হিংসা হচ্ছে। কারণ তারা মানুষের জন্য এমন ভালো কিছু উপস্থাপন করতে পারেননি। তাদের এমন আইডিয়া নেই। কারণ তাদেরতো দেশ পরিচালনায় অভিজ্ঞতা নেই। সে জন্যই তারা আবোল-তাবোল কথা বলছেন।
তিনি বলেন, আমরা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সমালোচনা করতে চাই না। আমরা মানুষের উন্নয়নের কথা বলতে চাই। কীভাবে উন্নয়ন করতে হয় সেই পরিকল্পনা মানুষের সামনে তুলে ধরছি।
তিনি আরও বলেন, আমি চাইলে এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমাদের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করতে পারতাম। কিন্তু আমি কোনো সমালোচনা করিনি কিংবা তাদের নামও নিইনি। কারণ সামনে নির্বাচন, আমি কী করব না করব, দেশের মানুষ আমার থেকে সেটা জানতে চায়। আমি যদি এখন অন্য মানুষদের সম্পর্কে গিবত গাই, আপনার কি পেট ভরবে? আপনারাতো আমার কাছে জানতে চান, আমি ক্ষমতায় গেলে কী করব। এটা দুইয়ে দুইয়ে চারের মতো সোজা হিসাব।
আবা/এসআর/২৫