
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে বিএনপি তাদের দীর্ঘ আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া—তিনি ৬ বছর জেলে ছিলেন। আমাদের নেতা ছিলেন নির্বাচিত....১৮ বছর পর তিনি দেশে এসেছেন। আমরা এই নির্বাচনটাকে একটা আন্দোলনের অংশ হিসেবে নিয়েছি। যে নির্বাচনে আমরা যদি সঠিক সরকার গঠন করতে পারি, সঠিক ব্যক্তিকে নির্বাচিত করতে পারি তাহলে আমরা একটা ভালো বাংলাদেশের চিন্তা করতে পারি। নির্বাচনে সঠিক ফলাফল পেতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আকচা ইউনিয়নের নিমবাড়ি বাজারে এক নির্বাচনী সভায় ভোটারদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, যারা ৭১ সালে বাংলাদেশের বিরোধিতা করেছে, যারা বাংলাদেশ চাইনি, তাদের হাতে দেশ কখনো নিরাপদ থাকবে না। দেশে যেহেতু আওয়ামী লীগ নেই, সেজন্য এবার হিন্দু-মুসলিম বেধেছে জোট, ধানের শীষে দেবো ভোট।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এটা আমাদের অনেক বড় পাওয়া, আমরা কোন সম্প্রদায়ের মধ্যে ভেদাভেদ করতে চাই না, হিন্দু মুসলিম খৃষ্টান—দেশ সকলের। ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার। ধর্মের কারণে কেউ বাড়াবাড়ি করবে না, কোন মামলাও থাকবে না।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মা-বোনেরা যারা এনজিওতে ঋণ নিয়েছেন কিস্তি দিতে হচ্ছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসলে সেই কিস্তির দায়িত্ব বিএনপি নেবে। এবং নারীদের জন্য ফ্যামিলি কাঠের ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মউকুফ করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি নির্বাচিত হলে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা হবে, ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর চালু করা হবে, মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। এছাড়া ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল একটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা সেটা বিএনপি করবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী এবং আকচা ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।