অনলাইন সংস্করণ
১৬:৪৬, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৪ আসনে প্রশাসনের অসহযোগিতা ও নজিরবিহীন ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সানজিদা ইসলাম তুলি। তিনি এ আসনের নির্বাচনী ফলাফল স্থগিতের দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই দাবি জানান।
সানজিদা ইসলাম তুলি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই প্রশাসনের একাংশ নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে দুপুরের পর থেকে প্রশাসনিক সহায়তায় পোলিং এজেন্টদের ওপর শারীরিক আক্রমণ চালানো হয় এবং তাদের জোরপূর্বক কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, ১১ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক) পক্ষ থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের সঙ্গে আর্থিক লেনদেন এবং ভোটারদের মধ্যে অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত ভিডিও প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
সানজিদা ইসলাম তুলি জানান, ভোট গণনার আগেই পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা-১৪ আসনের ফলাফল প্রকাশে উদ্দেশ্যমূলক বিলম্ব করা হয়েছে এবং অনেক কেন্দ্রে ফল প্রকাশ না করেই ব্যালট পেপার সরাসরি নির্বাচন কমিশনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, এ ঘটনাকে শুধু একজন প্রার্থীর প্রতি নয়, বরং পুরো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতিই অবিচার হিসেবে দেখতে হবে। নির্বাচনের মৌলিক নীতি— স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা, যা চরমভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।
ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন। তিনি জামায়াতের প্রয়াত নেতা মীর কাসেম আলী-এর ছেলে।
দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম মোট ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।