
ভোলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মী সাওদা সুমীকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদ ও তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন করেছে সংগঠনটি।
বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দীকাসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগরীর নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে নূরুন্নিসা সিদ্দীকা সরকারের সমালোচনা করে বলেন, তারা সংবিধানে আশ্রয় নিচ্ছে বাববার কিন্তু যে নির্বাচন হলো সেটা তো সংবিধানের বাইরে, সেটা কেন মেনে নিলো? অর্থাৎ যেটা আমার পক্ষে সেটা আমি মানি, যেটা আমার পক্ষে না সেটা আমি মানি না- এই দ্বীমুখী নীতি তাদেরকে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে।
সহকারী সেক্রেটারী সাঈদা রুম্মান বলেন, রক্তাক্ত জুলাইয়ের দীর্ঘ আন্দোলনের পর ৫ আগষ্ট পরবর্তী সরকারের কাছে দেশের জনগণ শান্তি ও স্বস্তি প্রত্যাশা করেছিল কিন্তু দেশে অরাজক পরিস্থিতি বিদ্যমান রেখে সরকার জনগণের মৌলিক প্রত্যাশা পূরণ করতে ব্যর্থ হচ্ছে বার বার।
এসময় কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক বিভাগীয় সেক্রেটারি ডা. হাবীবা চৌধুরী সুইট বলেন, বোন সওদা সুমিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে সেজন্য সরকারকে সাধুবাদ জানাই; তবে এধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন না হয় সেটা লক্ষ রাখতে হবে। এসময় হামসহ জনগুরুত্বর্পুণ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
আইন ও মানবসম্পদ বিভাগীয় সেক্রেটারী সাবিকুন্নাহার মুন্নী বলেন, বর্তমান সরকার ৫১ দিন পার করেছে কিন্তু এরই মধ্যে তাদের যেসব এক্টিভিটিস আমরা দেখতে পাচ্ছি তার মাধ্যমে নুতন ফ্যাসিবাদের পদধ্বনি শুনতে পাচ্ছি।
প্রচার বিভাগীয় সেক্রেটারি নাজমুন নাহার নীলু নাগরিক স্বাধীনতা হস্তক্ষেপ না করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশেষ করে নারীর অধিকার মর্যাদা ক্ষুন্ন হয় এমন কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকুন। দেশের নাগরিকদের সমস্যা পেট্রোল পাম্পগুলোর দীর্ঘ লাইন দেখলেই বুঝা যায়।
ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়শা পারভীন অভিযোগ করেন, ফেসবুকে যারা নারী বিদ্বেষমুলক প্রচারণা করছে তাদের অধিকাংশই সরকারী দলের।
এসময় আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগরী উত্তর মোহাম্মদপুর পূর্ব থানা মহিলা বিভাগের কর্মপরিষদ সদস্যা ফাতিমা আক্তার হ্যাপী। তিনি বলেন, এখানে আমরা যারা উপস্থিত হয়েছি আমরা দুইটা জেনারেশনকে ধারন করি। আমরা জেনজি’র মা জেন আলফা আমাদের ঘরে লালিত হচ্ছে, আমরা তাদের নিয়ে আমাদের আন্দোলন অব্যাহত রেখেছিলাম, রাখছি এবং রাখবো ইনশাআল্লাহ।