প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
বুক চিরে ঘাম শুষে জ্বলে ওঠে মুকুটের হীরা,
ভ্রান্ত জাদুকর হেসে ওঠে রাজার মতোন।
নদী পারি দিয়ে ডিঙি ফুঁটো করে চলে যায়;
তীরে দাঁড়িয়ে ভাবে ওপারের মাঠ মরুভূমি।
লোহার পরশে জ্বলে ওঠা সে এক পাথর
সে পাথর আজ নিজেকেই খনি বলে জানে;
চোখের গভীরে তার লুকানো গ্রাফাইট,
আলোর অভাব থেকে ধুঁকে মরে অবিরত।
বোঝে না সে কঠিন পাথর মাটিতে ফসল ফলে—
তবু সে পাথর দাবি করে ফসলের পুরোভাগ!
মঞ্চে মঞ্চে গেয়ে যায় চলে অহমের গান,
নিরবতা এসে সেধে যায় অলঙ্ঘ্য প্রাচীর।
ছায়াময়ী হাত ছড়িয়ে দেবে কি তার অনুদার ডালপালা?
কবোষ্ণ চাদর খুলে নেমে যাবে আর্কটিক শীত?
কোনো কথা নয়, কোনো আকুল মিনতি নয়—
গভীর দূরত্ব ভেঙে মুছে যাক পরজীবী রাত।
শোষণের জাদুকর এখানেই থেমে যাক—
এমন পাথর ঢেকে যাক জমাট বরফে।