প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
কুয়াশার সূক্ষ্ম জলকণা
বুনছে ধোঁয়াশার জাল চোখের দর্পণে
শীতল বাতাসে জবুথবু হচ্ছে প্রণয়ের হাত
বীতশোকে আজ হৃদয় ঈষদুষ্ণ নিথর নিস্তব্ধ।
তবু কেন সূর্যের সুতীব্র মৌনব্রত ভাঙ্গছে না?
ভেসে উঠছে গলায় অরক্ষিতদের বিরহী সুর—
যারা খোলা আকাশের নিচে জড়োসড়ো হয়ে
ছেঁড়া এক কাপড়ে কাটিয়ে দেয় মাঘের শীত,
যাদের অন্তঃশীল মন খুঁজেছিল শুধু মানবতা,
স্বার্থান্বেষী ধারাল পাথরমনা মানুষের মধ্যে।
অথচ তারা মৈথুনকালের ঢেউয়ে ভাসাতে চায়
মহত্ত্বের মিছে লেবাসে নৈঃশব্দ্যের ঐ ধ্যান ধরে।
ছড়ায় বাতাসে হোমাগ্নি মনে ধরাতে সংক্ষোভ—
খুবলে খেতে নিঃসম্বল মানুষের আয়ুর তাবিজ।
তবু এরা সলিলসমাধি ছুঁয়ে দাঁড়িয়ে রয় নিশ্চুপ
কারণ তারা জানে প্রকৃতির প্রকোপ কাটিয়েই
তাদের ফের যুদ্ধে নামতে হবে দানবের বিরুদ্ধে।
তবেই তো হবে অমর তারা মহাকালের।