ঢাকা সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ধীমান শিক্ষক, সফল দায়ী, আদর্শবান মহাপুরুষ

মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ (রহ.)
ধীমান শিক্ষক, সফল দায়ী, আদর্শবান মহাপুরুষ

বাংলাদেশে যুগে যুগে অনেক পীর, আউলিয়া, দরবেশ, গাউস, কুতুব ইলমে তরিকতের প্রচার করে মানুষের আত্মার পরিশুদ্ধি ঘটিয়েছেন, মানুষদের আল্লাহমুখী করেছেন। এদের মধ্যে আউলিয়া ঘেরা চুনতির হজরত মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ শাহ (রহ.) অন্যতম। ইলমে তরিকতের প্রচারে যে অসাধারণ সফলতা অর্জন করেছেন তার ক্রমধারা এখনও বিদ্যমান। তিনি ছিলেন একজন ধীমান শিক্ষক, সফল দায়ী ও শাইকুত তরিকত, আদর্শবান মহাপুরুষ।

সফল খলিফা: তিনি ছিলেন শাইকুত তরিকত শাহ সুফি হজরত মাওলানা হাবিব সাহেব (রহ.)-এর সুযোগ্য সফল খলিফা। সদাচরণ, জ্ঞান, পরহেজগারী ও আধ্যাত্মিক পদমর্যাদায় তিনি ছিলেন অতুলনীয়।

আদর্শবান মহাপুরুষ: তিনি মুরিদদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ, সুন্দর আচরণ করতেন এবং তাদের খোঁজখবর রাখতেন। তিনি ছিলেন নম্র, ভদ্র, ঠান্ডা মেজাজের হাস্যোজ্জ্বল আদর্শবান এক সফল দায়ী। তার আন্তরিকতার পরশে মুরিদরা তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকত। তার বিনয়ী, ভালোবাসামাখা সুন্দর আচরণ রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর হাদিসকে স্মরণ করিয়ে দেয়। সমাজের সবার সঙ্গে উত্তম ও শোভনীয় আচরণ করা আল্লাহর প্রিয়তম ইবাদতসমূহের অন্যতম। হজরত আবু দারদা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'কেয়ামতের দিন কর্মবিচারের পাল্লায় বান্দার সবচেয়ে ভারী ও মূল্যবান কর্ম হবে সুন্দর আচরণ এবং সুন্দর আচরণের অধিকারী মানুষ শুধু তার সুন্দর ব্যবহারের বিনিময়েই নফল সালাত ও নফল সিয়াম পালন করার সাওয়াব অর্জন করবে।'

মুমিনের আচরণ এমনই যে সহজেই তিনি মানুষকে আপন করে নেন এবং অন্যেরাও তাকে আপন করে ভালোবেসে ফেলে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, 'মুমিন ওই ব্যক্তি যে নিজে অন্যদের ভালোবাসে এবং অন্যেরাও তাকে ভালোবাসে। যে নিজে অন্যদের ভালোবাসে না এবং অন্যরাও তাকে ভালোবাসে না তার মধ্যে কোনো কল্যাণ নেই।' (সহিহুল জামে : ২/৯৯৮)।

জ্ঞান তাপস: তরিকত চর্চার পাশাপাশি তিনি খুব বেশি অধ্যয়ন করতেন। কোরআন-হাদিস গবেষণা ও বিষয়ভিত্তিক ইসলামি জ্ঞান অর্জনে সদা নিমগ্ন থাকতেন। তার ছিল ব্যক্তিগত বইসমৃদ্ধ এক বড় লাইব্রেরি। যেখান থেকে আমরাও বই নিয়ে পড়তাম। আমাদের অধ্যয়নের প্রতি বেশি উৎসাহিত করতেন। গুরুত্বপূর্ণ অনেক বইয়ের নাম বলতেন সেগুলো সংগ্রহ করে পড়তে বলতেন। হুজুরের পরামর্শে উৎসাহিত হয়ে মাকতুবাতে সদি, মাকতুবাতে ইমামে রাব্বানি, আনিসুল আরওয়াহ, বিপ্লবী মুজাদ্দিদ হজরত মুজাদ্দিদে আলফেসানি (রহ.), গাউসুল আজম হজরত আব্দুল কাদের জিলানি (রহ.), রাহাতুল মুহিব্বিন, কাশফুল মাহজুব, আর রিসালাতুল কুসাইরিয়া সহ নানা রকম বই সংগ্রহ করি।

বাইয়াত গ্রহণ: ভারতীয় উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস, মুফাসসির, সাহিত্যিক, ফকিহ, হাজারো আলেমের ওস্তাদ, চুনতি মাদ্রাসার মুহাদ্দেসে আওয়াল হজরত মাওলানা আবদুল হাই নিজামী (হাফি.) দাখিল, আলিম, ফাজিল, কামিল ফাইনাল পরীক্ষার ফল প্রার্থীদের নিয়ে প্রতিবছর আলাদা আলাদা ফ্রি কোর্স চালু করেন। যাতে করে আরবি সাহিত্য, নাহু, সরফ, কোরআন, হাদিস, ফিকাহ ও বালাগাত শাস্ত্রে যাতে কোনোরকম দুর্বলতা না থাকে। বিশেষ করে কামিল পরীক্ষার পর এক বছর ব্যাপী ফ্রি তাফসির কোর্স চালু করেন যাতে দুর্বল ছাত্ররা আলেমে দ্বীন হিসেবে গড়ে উঠতে পারে আর ভালো ছাত্ররা আরো বেশি দ্বীনের ব্যাপারে গভীর জ্ঞানঅর্জন করতে পারে। এই তাফসির কোর্সে যে সমস্ত ছাত্ররা অধ্যয়ন করত আওয়াল সাহেব হুজুর তাদের প্রত্যেককে প্রতিমাসে বেতন প্রদান করতেন। হুজুর বলতেন 'তোমারা ঘর থেকে টাকা খুঁজলে তোমাদের চাকরি করতে বলবে তাই আমি টাকা দেব তোমরা শুধু ভালো করে পড়বে।' আশ্চর্যের বিষয় হল অন্যান্য শিক্ষকরা প্রাইভেট পড়িয়ে ছাত্রছাত্রীদের থেকে টাকা নেয় আর হুজুর যারা পড়ে তাদের উল্টা টাকা দেয়। আর আমি অধমও হুজুরের তাফসীর কোর্সের ছাত্র ছিলাম। কোর্স শেষে আওয়াল সাহেব হুজুর বলেছিলেন 'তোমরা হাবিব সাহেব হুজুরকে গনিমত মনে করবে। হাবিব সাহেব হুজুরকে তার ছেলেরা চিনে না। পারলে তোমরা হাবিব সাহেব হুজুর থেকে বায়াত গ্রহণ করবে।'

আওয়াল সাহেব হুজুরের এই গুরুত্বপূর্ণ, সুন্দর পরামর্শে আমি এবং মাওলানা নুরুল হক হজরত মাওলানা হাবিব সাহেব হুজুরের হাতে ২০০৪ সালে বাইয়াত গ্রহণ করে নিজেকে ধন্য করি। হুজুরের সান্নিধ্যে থেকে ইলমে তরিকতের সবক গ্রহণ করে আধ্যাত্মিক জগতে ডুব দেওয়ার চেষ্টা করি।

হাবিব সাহেব হুজুর থেকে সবক নেওয়ার পরে কোনো বিষয় বুঝতে না পারলে আবেদ সাহেব হুজুর আমাদেরকে আন্তরিকতার সঙ্গে নিজ সন্তানের মতো সহজভাবে বুঝিয়ে দিতেন কোনোরকম বিরক্ত বোধ করতেন না। এই দ্বীনি ভালোবাসার পরশ আমাদের ভাবিয়ে তুলত। হাবিব সাহেব হুজুর এবং আবেদ হুজুরের প্রেমে পড়ে গেলাম। এই ভালোবাসা শুধু আল্লাহর জন্য দুনিয়ার কোনো স্বার্থ এখানে জড়িত নেই।

হাবিব সাহেব হুজুর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা জিজ্ঞাসা করলাম আপনার পরে কার থেকে সবক গ্রহণ করব? হুজুর বললেন মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ সাহেব থেকে বাকি সবক গ্রহণ করো। আমরা তাই করলাম এবং মোজাদ্দেদিয়া তরিকতের বাকি সবক হজরত মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ (রহ.)-এর সোহবতে থেকে মহান আল্লাহতালার অপার কৃপায় শেষ করার চেষ্টায় রত ছিলাম।

হুজুরের দোয়ার বরকত: আমি আর মাওলানা নুরুল হক সাহেব হযরত মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ শাহ (রহ.)-এর বাড়িতে প্রায় সময় সবক নেওয়ার জন্য যেতাম। হুজুর সবক দেওয়ার পরে আমাদের জন্য এবং সকল মুমিন মুমিনাতের জন্য দোয়া করতেন। এই দোয়া যেন আত্মার খোরাক, মনের প্রশান্তি, হৃদয়ের আলো, ভবিষ্যতে পথ চলার পাথেয়। কখনো কখনো আমাদেরকে দোয়া করতে বলতেন আর বলতেন মোজাদ্দেদিয়া তরিকার প্রচার প্রসারের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করো। আমরা তার দিকনির্দেশনা মতে প্রাণ ভরে দোয়া করতাম। তিনি বেশি অতিথিপরায়ণ ছিলেন। আপ্যায়ন ছাড়া আমাদের কোনদিন বিদায় দেননি। হুজুরের বাড়ির সদস্যরা আমাদের খুব আপন মনে করত। আমাদেরও ফ্যামিলির সদস্যের মতো মনে করত। হুজুর আমাদের অনেক ভালোবাসতেন তার ভালোবাসার পরশে আমাদের জীবন দিন দিন আধ্যাত্মিকতার দিকে অগ্রসর হতে থাকে। আমরা হুজুরের কাছে আসতে দেরি হলে কল করে খোঁজখবর নিতেন।

আমি এবং মাওলানা নুরুল হককে 'মানিক জোট' বলে ডাকতেন। বলতেন, 'আমার মানিক জোট এসেছে।' আমাদের আগমনে হুজুরের হৃদয়মনে চেহারায় প্রফুল্লতার চিহ্ন ভেসে উঠত। আমাদের প্রাণ প্রিয় শায়খের এই আনন্দের জোয়ার আমাদের জন্য শুভ লক্ষণ, সফলতার হাতিয়ার, দোয়ার প্রতিক, হৃদয়ের স্পন্দন, সাড়া জাগানো প্রতিভা, সামনে অনেক ধাপ এগিয়ে যাওয়ার সুফল প্রাপ্তির উৎকৃষ্ট মাধ্যম।

সুন্নত অনুসরণের গুরুত্ব: শ্রদ্ধেয় হুজুর আমাদেরকে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নতের অনুসরণের প্রতি বেশি উৎসাহিত করতেন। সুন্নত অনুযায়ী দাড়ি রাখা, নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে সুন্নতের অনুসরণ, সুন্নতের অনুসরণ করে জীবন পরিচালনার জন্য উপদেশ দিতেন। মুসলিম জাতির পারিবারিক, সামাজিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনে সুন্নতের গুরুত্ব অপরিসীম। জীবনের প্রতিটি অধ্যায় সুন্দর ও সৌরভময় করতে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ৬৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে উম্মতকে দিয়েছেন সুন্দর ও উজ্জ্বলময় পথনির্দেশ। যা আমাদের নিকট সুন্নত নামে সুপরিচিত।

ইসলামে এমন কোনো বিষয় নেই, যে সম্পর্কে ইসলাম দিক-নির্দেশনা দেয়নি। পোশাক, চুল, বিয়ে-শাদি, ওলিমা, অসুস্থতা-চিকিৎসা ও রোগীর সেবাতেও হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর সুন্নত রয়েছে।

মোজাদ্দেদিয়া ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠা: হুজুরের দোয়ার বরকতে আমি হজরত ইমামে রব্বানি মোজাদ্দেদে আলফেসানী (রহ.)-এর নাম দিয়ে সদকায়ে জারিয়া মূলক প্রতিষ্ঠান 'মোজাদ্দেদিয়া ইসলামিক সেন্টার' প্রতিষ্ঠা করি। এই সেন্টারের উদ্যোগে বিশাল এক পাঠাগার প্রতিষ্ঠা করি। পাঠাগারের বই পড়ে মানুষ কোরআন হাদিসের জ্ঞান অন্বেষণ করে নিজের জীবনকে আলোকিত করতে থাকে। পাঠাগার ছাড়াও আমরা গরীব অসহায় ছাত্রদের শিক্ষাসামগ্রী বিতরণ করে থাকি। সদকায়ে জারিয়ার উদ্দেশ্যে বিনামূল্যে অর্থসহ কোরআন, ওজিফা, জায়নামাজ, তাসবিহ, রেহাল, ইসলামি সাহিত্যসহ নানা রকম বই জনগণের মাঝে বিতরণ করে থাকি যাতে দ্বীনের আলো সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। এ ছাড়াও মসজিদ, মাদ্রাসা নির্মাণে, বৃক্ষ রোপণে, বিভিন্ন রকম ইসলামিক প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে আমরা অর্থ ব্যয় করে থাকি। এ ছাড়াও মানব সেবামূলক অনেক কাজ আমরা করে থাকি। বোয়ালিয়া পাড়ার চৌধুরী মসজিদে প্রতি মাসে জিকির মাহফিলের আয়োজন করা থাকি।

মোজাদ্দেদিয়া তরিকতের প্রচার: মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ সাহেব হুজুর আমিও মাওলানা নুরুল হককে মোজাদ্দেদিয়া তরিকতের প্রচারের জন্য দোয়া করেন। হুজুরের দোয়ার বরকতে আমরা মোজাদ্দেদিয়া তরিকতের প্রচার করতে থাকি আমি ও মাওলানা নুরুল হকের প্রচেষ্টায় মহান আল্লাহর অপার কৃপায় অনেক নারী-পুরুষ তরিকতে বায়াত গ্রহণ করে আত্মশুদ্ধির পথবেঁচে নেই। এবং মহান আল্লাহর সাথে সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টায় রত থাকে। তরিকত প্রচারের কাজে আমাকে যারা বেশি সহযোগিতা করেছেন ফুরকান স্যার, নজরুল স্যার, ফয়সাল, ফয়সালের বোন তামান্না, শামীমা ম্যাডাম, হাফেজ হেলাল , হাফেজ সাঈদ, হাফেজ জায়েদ ,হাফেজ রাজিন, হাফেজ আনাস, সাইয়্যিব বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।আল্লাহ আমাদের এই প্রয়াস কবুল করুন।

স্বপ্ন: চুনতি মাদ্রাসার বর্তমান সহকারী অধ্যাপক আমার প্রিয় বন্ধু মাওলানা রিদওয়ানুল হক সাহেব শাহ সুফি হযরত মাওলানা হাবিব আহমদ সাহেব এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেন। হুজুরের সুহবতে থেকে তরিকতের সবকগুলো আন্তরিকতার সঙ্গে আদায় করতে লাগলেন। মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে হাবিব সাহেব হুজুর যখন মহান আল্লাহর দরবারে চলে গেলেন, মাওলানা রিদওয়ান সাহেব চিন্তায় পড়ে গেলেন এখন কার থেকে তরিকতের সবক গ্রহণ করব। কিছুদিন যেতে না যেতেই মাওলানা রিদওয়ান সাহেব হাবিব সাহেব হুজুরকে স্বপ্নে দেখলেন। 'হুজুর বলতেছেন, তুমি মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ সাহেব হুজুর থেকে সবক গ্রহণ কর।' রিদওয়ান সাহেব বলেছেন, এরপর থেকে আমি আবেদ হুজুরের সোহবতে থেকে তরিকতের সবক গ্রহণ করি।

আলোকিত মানুষ আলোকিত পরিবার : মাওলানা ওবায়দুর রহমান আবেদ (রহ.) ছিলেন বিজ্ঞ আলেমেদ্বীন, হক্কানি রব্বানি দরবেশ, মুখলেস, নিরহঙ্কার, নিঃস্বার্থ, নির্লোভ, প্রচার বিমুখ, লৌকিকতা বর্জনকারি, দানশীল, পরোপকারী, ব্যক্তিত্বসম্পন্ন, ভদ্র, বিশুদ্ধ অন্তরের অধিকারী সত্যভাষী, আল্লাহ এবং রাসুলের ভালোবাসায় সিক্ত এক আলোকিত মানুষ। সহজ-সরল জীবনযাপন করতেন।

তিনি সব সময় সাদা পোশাক পরিধান করতেন। কারণ সাদা পোশাক পরিধান করা মুস্তাহাব। রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন অনুসরণে তিনি পরিবার পরিচালনা করতেন তাই তার ফ্যামিলিতে শান্তি, রহমত , বরকত বিরাজমান ছিল। হুজুরের বেগম সাহেবা ছিলেন আদর্শবান, ধার্মিক, অমায়িক, মিশুক, কর্তব্যপরায়ণ গৃহিণী। হুজুরের সন্তানেরা মা-বাবার প্রতি খুব আনুগত্যশীল ও বিনয়ী ছিল। সন্তানরা ছিল মা-বাবার পরমভক্ত।

ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ ছিল পরিবারের প্রতিটি সদস্য। হুজুরের ছেলেমেয়ে সবাই ছিল উচ্চ শিক্ষিত। পুরো পরিবারটাই ছিল ইসলামের আলোতে আলোকিত এক মডেল পরিবার। আমার দৃষ্টিতে হুজুর ছিলেন একজন আদর্শ গৃহপতি, আদর্শ স্বামী, আদর্শ পিতা, আদর্শ অভিভাবক, আদর্শ শিক্ষক, অনুসরণীয় আদর্শ, মান্যতার বাস্তব প্রতিচ্ছবি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত