ঢাকা শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ত্বকী হত্যার বিচার দাবি

ত্বকী হত্যার বিচার দাবি

নারায়ণগঞ্জের মেধাবী কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার ১৩ বছর পূর্তিতে কবর জিয়ারত করেছে পরিবারের সদস্য ও রাজনৈতিক-সামাজিক-নাগরিক সংগঠনের নেতারা। দীর্ঘ সময়েও চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা দ্রুত মামলার তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র দাখিলের দাবি জানা তারা।

গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টায় বন্দর উপজেলার পুরান বন্দর এলাকায় সিরাজ শাহের আস্তানায় ত্বকীর কবর জিয়ারত করেন তারা। এ সময় ত্বকীর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে ত্বকীর প্রতি পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানায় সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চ, নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট, খেলাঘর আসর, গণসংহতি আন্দোলন, ক্রান্তি খেলাঘর আসর, সমমনা, কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, মহিলা পরিষদ, উদীচী, অনুভবসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, নাগরিক সংগঠন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ত্বকীর পিতা সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, তার ছোট ছেলে রাকিব মুহাম্মদ সাকি, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্য সচিব হালিম আজাদ, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি জিয়াউল ইসলাম কাজল, প্রদীপ ঘোষ বাবু, জাহিদুল হক দিপু, সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহা জুয়েল, জেলা গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, মহানগরের আহ্বায়ক নিয়ামুর রশীদ বিপ্লব, সদস্য সচিব পপি রানী সরকার, সিপিবির জেলা সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, বাসদের সদস্য সচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, আবৃত্তি শিল্পী ফাহমিদা আজাদ, সমগীতের সাবেক সভাপতি অমল আকাশ, কবি কাজল কানন, সাংবাদিক রহমান সিদ্দিক, সমমনা সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা, নারায়ণগঞ্জ বন্ধুসভার সাবেক সভাপতি জহিরুল ইসলাম মিন্টু, ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন প্রমুখ।

২০১৩ সালের ৬ মার্চ অপহরণের দুদিন পর ত্বকীর লাশ উদ্ধার হয়েছিল শীতলক্ষ্যা নদীর শাখাখাল থেকে। এর এক বছর পর সংবাদ সম্মেলন করে কোথায়, কার নির্দেশে, কীভাবে ত্বকীকে হত্যা করা হয়েছিল তার বিস্তারিত জানিয়েছিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব।

২০১৪ সালের ৫ মার্চ র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছিলেন, আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন মিলে ত্বকীকে হত্যা করেছে। ২০১১ সালে সিটি নির্বাচনে মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর পক্ষে অবস্থান নেওয়া, সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের চাঁদাবাজি ও ভূমি দখলের প্রতিবাদে জনগণকে সংগঠিত করায় রফিউর রাব্বির ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন সংসদ সদস্য ও তার অনুগতরা। তাকে শায়েস্তা করতেই ছেলেকে হত্যা করেন তারা।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত