ঢাকা বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আশুলিয়ায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

আশুলিয়ায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

আশুলিয়ায় ৭ বছরের এক মাদ্রাসার মেয়ে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানীর অভিযোগে ইলিয়াচ নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষককে আটক করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকার রাওজাতুল কুরআন আধুনিক নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে ওই মাদ্রাসায় এই ঘটনা ঘটে।

আটক মোহাম্মদ ইলিয়াচ নেত্রকোনার জেলার পূর্বধলা থানার কুকলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে। অভিযুক্ত আশুলিয়ার দক্ষিণ গাজিরচট সিনসিন মোড় এলাকায় ওই মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। অন্যদিকে যৌন হয়রানীর শিকার শিশু তার চাচার বাসায় থেকে ওই মাদ্রাসায় ১ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর চাচা বলেন, ভুক্তভোগী আমার ভাতিজী তার বাবা বিদেশে থাকেন। তার মা গ্রামের বাড়িতে থাকেন। এখানে সে আমার বাসায় থেকে আমার মেয়ের সঙ্গে একত্রে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। প্রতিদিনের ন্যায় সে বিকালে ক্লাস শেষে বাসায় আসে এবং খাটের একপাশে বসে কান্না করছিল। এমন সময়ে তার চাচি এসে কান্না করার কারণ জানতে চাইলে সে তার চাচিক সব ঘটনা খুলে বলে। তার কাছ থেকে জানাতে পারি যে, ঘটনার দিন বিকালে উক্ত মাদ্রাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় মাদ্রাসা শিক্ষক ইলিয়াচ তাকে কৌঁশলে ডেকে নিয়ে শরীরের স্পর্শকাতর বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় এবং নানা প্রলোভন দেখিয়ে যৌন হয়রানির চেষ্টা করে। পরে আমরা জানতে পেরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে জানাই। এরপরে এ বিষয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সমাধান করার চেষ্টা করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষক এবং মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আনোয়ারকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন এবং তাদের ২ জনকে থানায় নিয়ে যায়। এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রিন্সিপালকে ও অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে প্রিন্সিপালকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীর চাচা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত