
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার গোনাইগাতি সড়কের বেহালাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে এলাকাবাসীর চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এ সড়ক সংস্কার না করায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত উপজেলার গোহালা নদীর পশ্চিমপাড় গোনাইগাতি খেয়াঘাট থেকে সুজা-কালিয়াকৈর সড়কের কুমার ব্রিজ পর্যন্ত প্রায় আড়াই কি. মিটার কাঁচা সড়ক গোনাইগাতি সড়ক নামে পরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে এ সড়ক সংস্কার করছে না স্থানীয় প্রশাসন। এ কারণে চরম জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। এ দুর্ভোগ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য এলাকাবাসী একাধিকবার স্থানীয় প্রশাসন বরাবর আবেদন করেও কাজে আসেনি। সামান্য বৃষ্টি হলেই এ সড়কের বেহালাবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশেষ কাঁদা, নর্দমা ও গর্তের পরিণতি হওয়ায় এলাকাবাসীর চলাচলে ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এমনকি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ১ ঘন্টার রাস্তা আড়াই ঘন্টায় ঘুরে যেতে হয়।
এছাড়াও কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ দূর্ভোগের শিকার হতে হয় প্রতিদিন। এ অবস্থায় ওই সড়কে অটোরিকশাসহ ছোটখাট যানবাহন চলাচলে দুর্ভোগে পড়তে হয় এবং অনেক গাড়ী ঠেলেঠুলে পার করতে হয়। শস্যভাণ্ডার খ্যাত এ অঞ্চলে কৃষকেরা হাট বাজারে ধানসহ অনান্য মালামাল সরবরাহ করতে পারছে না। স্থানীয়রা বলছেন, গোনাইগাতি সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে কায়েমখোলা, কালিয়াকৈর, সুজা ও কৈবর্তগাতীসহ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয় এবং ছোটখাট দূর্ঘটনাও ঘটে থাকে প্রতিদিন। এ অঞ্চলের কৃষকসহ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই। জনস্বার্থে এ সড়ক সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করেও কাজ হচ্ছে না। বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ওই সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তে পানি জমে থাকে। এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী এম শহিদুল্লাহ বলেন, এলজিইডি বিভাগে ওই উপজেলার কয়েকটি সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে এরইমধ্যে। তবে স্বল্প সময়ের মধ্যেই গোনাইগাতি সড়কও এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান বলেন, জনস্বার্থে ওই সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত করা হবে এবং এরইমধ্যে সেই প্রক্রিয়া নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।