
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে শিশু, কিশোর ও যুবকদের মধ্যে জ্ঞানচর্চা, পাঠাভ্যাস ও সৃজনশীল বিকাশে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংস্কারকৃত উপজেলা পাঠাগারটি উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রায় ১৭ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া পাঠাগারটি “বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন গ্রন্থাগার” ভিন্ন নামে সরকারি উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ করলো। গতকাল বুধবার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা প্রশাসন এলাকার পুরনো ভূমি অফিসে সংস্কার শেষে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পাঠাগারটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন স্থানীয় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক আবু সাইদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তারিকুল ইসলাম। উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি রবিউল হাসান ভূইয়া, উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ, গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় সমন্বয়ক শামীম শিবলী সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, অভিভাবক, সুধীজন ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। জেলা প্রশাসক মো আবু সাইদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে বই পড়ার অভ্যাস ধরে রাখা এবং মানুষের সৃজনশীল বিকাশে পাঠাগারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর পাঠাগারটি সংস্কার করে পুনরায় বাঞ্ছারামপুরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা ও গবেষণার সুযোগ আরও সম্প্রসারিত করবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তারিকুল ইসলাম বলেন, গ্রন্থাগার আজ শুধুমাত্র আর গল্পের বই পড়ার জায়গায় দাঁড়িয়ে নেই। গল্পের বইয়ের পাশাপাশি বর্তমান প্রজন্মের নতুন পাঠকদের জন্য স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়-সহ কেরিয়ার গাইডেন্সের বইও রাখা হচ্ছে গ্রন্থাগারে। মানুষকে আরও গ্রন্থাগারমুখী করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে।