
সম্মিলিত উলামা মাশায়েখ পরিষদের মহাসচিব ড. খলিলুর রহমান মাদানী বলেছেন, বিগত ফ্যাসিবাদী আমলে ইসলাম বিরোধী অনেক ষড়যন্ত্র হয়েছে। সে সকল ষড়যন্ত্র এর প্রতিবাদ করতে গিয়ে অসংখ্য আলেম ওলামা জেল জুলুম, মিথ্যা মামলা, গুম, খুন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। কিন্তু দ্বীন ইসলাম থেকে পিছপা হননি। এর মধ্যে শাপলা চত্বরে এবং হাসিনার পতনে আলেমরা জীবন দিয়েছেন। আগামীতেও ইসলাম ও দেশ রক্ষায় আলেমরা ময়দানে থাকবেন।
ইসলাম প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে দেশের আলেম সমাজ কে ঐক্যবদ্ধভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি গতকাল শনিবার দেশের বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে বগুড়া শহরের নবাববাড়ি রোডের টিএমএসএস মহিলা মার্কেট মিলনায়তনে জেলা উলামা মাশায়েখ পরিষদ আয়োজিত উলামা সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে আলেমদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে। হক ও সত্যের পথে অবিচল থেকে দেশের প্রয়োজনে, ইসলামের প্রয়োজনে আলেমদের ত্যাগ স্বীকার করার ইতিহাস দীর্ঘ। আলেমদের যে চারিত্রিক ও ঐক্যের শক্তি রয়েছে তা ইসলাম বিরোধীদের নেই।
উলামা সমাবেশে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ঢাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদের খতিব ও বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা মুফতি আলী হাসান উসামা বলেন, মউতের ফয়সালা আসমানে হয়, জমিনে নয়। আইয়ুব খানের আমলে আলেমদের ওপর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, মাওলানা মওদুদীর (রহ.) ফাঁসির আদেশের সময়ও তিনি অবিচল ছিলেন। তিনি বলতেন, মউতের ফয়সালা আকাশে হয়, জমিনে নয়। আজ আমাদের সেই বলিষ্ঠ ঈমানের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা যে যেই মাজহাবে আছি অসুবিধা নেই। কিন্তু ইসলামের পক্ষে আমরা সবাই এক। অতীতের মতো বর্তমানেও আমাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, আলেম ওলামারা ইসলামের বিরুদ্ধে কোনো কাজ হতে দেবে না।
?বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন বলেন, আল্লাহর দুনিয়াতে আল্লাহর বিধান প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে আলেমদের ভূমিকাই মুখ্য। দিন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তিনি আলেমদের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।