
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম মহাপ্রয়াণ দিবস গভীর শ্রদ্ধা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক তাহ্?মিনা আখতারের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এ দিবস উপলক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ কর্মসূচির শুরুতে বৃহস্পতিবার সকালে রবির অস্থায়ী অ্যাকাডেমিক ভবন-৩-এ স্থাপিত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান। এ সময় রবির প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত), বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যান, হলসমূহের প্রভোস্ট ও হাউজ টিউটর, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রবির সংগীত বিভাগের আয়োজনে সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগীত বিভাগের চেয়ারম্যান দেবশ্রী দোলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান। সেমিনারে আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন ঢাবির বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোমেনুর রসুল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সোবাহান বলেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কেবল বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির নন, তিনি বিশ্বমানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর সাহিত্য, দর্শন, শিক্ষা-চিন্তা ও মানবকল্যাণের আদর্শ আজও ব্যক্তিজীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তায় সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। শিক্ষার্থীদের রবীন্দ্রচর্চার মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও সৃজনশীল মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ ও সমাজ গঠনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা আমাদের মুক্তচিন্তা, সৃজনশীলতা এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের প্রেরণা জোগায়। নতুন প্রজন্মের কাছে রবীন্দ্র-দর্শন ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় রবীন্দ্রসংগীত, আবৃত্তি ও নৃত্যনাট্যের সমন্বয়ে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।