
মুন্সীগঞ্জে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ায় ডাবের চাহিদা তৈরির সুযোগ নিয়ে অসাধু ব্যবসায়ীরা প্রতিটি ডাব আকার ভেদে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ পাইকারি বাজারে দাম কম থাকলেও ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসায় ডাবের জল পানের প্রয়োজনীয়তাকে পুঁজি করে অতিরিক্ত মুনাফা লুফে নিচ্ছেন খুচরা বিক্রেতারা। কতিপয় ব্যবসায়ীরা ডাবের মূল্যবৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে দিচ্ছেন নানান ব্যাখ্যা। মুন্সীগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা আট শতাধিক ছাড়িয়ে যাওয়ায় রোগীর স্বজনদের মাঝে ডাবের চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে। অযৌক্তিক দাম নিয়ে প্রতিনিয়ত বিবাদে জড়াচ্ছে রোগীর স্বজন ও ব্যবসায়ীরা। বাজারে প্রতি পিস ডাব ১৮০ টাকা থেকে শুরু করে বড় আকারের ডাব ২০০ টাকা পর্যন্ত হরহামেসায় বিক্রি হচ্ছে।সরবরাহ সংকট ও অজুহাত দেখাচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।মুন্সীগঞ্জ শহরের কাচারী ও হাসপাতাল রোড এলাকায় ডাব ব্যবসায়ীরা বলেন, চাহিদার তুলনায় ডাবের সরবরাহ কম তাই দাম বাড়তি। এমনসব অজুহাত দেখিয়ে মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা ইচ্ছেমতো দাম বাড়াচ্ছেন। ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর পথ্য হিসেবে ডাবের বিকল্প না থাকায় বাধ্য হয়ে চড়া দামে ডাব কিনতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শহরের সচেতন মহল বলছেন তদারকির অভাব রয়েছে।বাজারে ডাব কিনতে আসা মোসলেম নামে একজন ক্রেতা বলেন স্থানীয় বাজারে নিয়মিত নজরদারি ও প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় ব্যবসায়ীরা অতিরিক্ত দাম নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।এবিষয়ে জানতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মুন্সীগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আসিফ আল আজাদ জানান, আমরা শুনেছি দোকানে অতিরিক্ত মূল্যে ডাব বিক্রি করা হচ্ছে। তাই রবিবার দুপুর ১টার দিকে মুন্সীগঞ্জের শহরের ডাব দোকান গুলোতে অভিযান পরিচালনা করেছি।যৌত্তিক মুনাফায় ডাব বিক্রির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এছাড়াও মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং ক্রয় রশিদ সংরক্ষণ না করায় ডাব বিক্রেতা আজিজুল হককে ১ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে।