ঢাকা সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী

সংরক্ষিত বনাঞ্চল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী

কক্সবাজারের টেকনাফে সংরক্ষণ বনাঞ্চলের সৃজিত নতুন বাগান পরিদর্শন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি। রোববার দুপুর ১টার দিকে বন প্রতিমন্ত্রী টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটের রঙ্গিখালী বনাঞ্চলে সৃজিত ৪০ হেক্টর বাগান পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি বাগানে একটি চালতা গাছের চারা রোপন করেছেন।

পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সাথে বন বিভাগের চট্টগ্রাম অঞ্চলের বন সংরক্ষক মিহির কুমার দো, কক্সবাজার দক্ষিন বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন,

সহকারী বন সংরক্ষক, টেকনাফ ও উখিয়া মো. মনিরুল ইসলাম, টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদসহ বিভিন্ন বিটের বিট কর্মকর্তা, পুলিশ, ফরেষ্ট গার্ড এবং বনপাহারা দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

টেকনাফে সংরক্ষণ বনাঞ্চলের সৃজিত নতুন বাগান পরিদর্শন করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি অভিভূত হন। এবং সন্তোষ প্রকাশ করেন।

টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. আব্দুর রশীদ জানান, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে টেকনাফ রেঞ্জের মুচনী বিটে ২০ হেক্টরে ৫০হাজার, হ্নীলা বিটে ৬০ হেক্টরে ১লাখ ৫০হাজার ও মধ্য হ্নীলা বিটে ১শ হেক্টরে ২লাখ ৫০হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে। শীলখালী রেঞ্জের শীলখালী সদর বিটে ৪০ হেক্টরে ১লাখ, মাথাভাঙ্গা বিটে ৪০ হেক্টরে ১লাখ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।

এছাড়া হোয়াইক্যং রেঞ্জের হোয়াইক্যং বিটে ১শ ৯০হেক্টরে ৪লাখ ৭৫হাজার, মনখালী বিটে ৩০হেক্টরে ৭৫হাজার গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।

কক্সবাজার বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, যথাযথ প্রক্রিয়া মেনেই ১হাজার ১শ ৩হেক্টর বনভুমিতে সাড়ে ২৭লাখ গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।

দীর্ঘ মেয়াদী সৃজিত এসব বাগানে ফলজ বনজ ওষুধিসহ প্রায় ৫৬ প্রজাতির বৃক্ষ রয়েছে। সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে সৃজিত বৃক্ষরাজি রক্ষায় বনবিভাগ কাজ করবে। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী দ্বারা বন বনভুমি ও এবং বন্যপ্রাণীর যে অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে, তা পুনরুদ্ধারে সহায়ক ভূমিকা পালন করবে জানিয়ে ডিএফও আরো বলেন,দীর্ঘ মেয়াদী এসব বাগান রক্ষা করতে পারলে পরিবেশের যেমন উপকার হবে। তেমনি একদিন এই বৃক্ষরাজি অপার সম্পদে পরিণত হবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত