
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) রাশেদ খাঁন বলেছেন, আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণহত্যা চালিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে এটার স্বীকৃতিও রয়েছে। জাতিসংঘ বলছে যে আওয়ামী লীগ দেশে গণহত্যা চালিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগের অধ্যায় ক্লোজ হয়ে গেছে। শত শত ডিসেম্বর চলে যাবে নতুন করে বাংলাদেশে শেখ হাসিনা আর আওয়ামী লীগ ফেরার সুযোগ নাই। কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ফেরার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে শেখ হাসিনাকে ফেরানোর ক্ষেত্রে জামায়াতে ইসলাম সহযোগীতা করছে।
গতকাল শনিবার দুপুরে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙা কবরস্থানে বুয়েট শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামকে উদ্দেশ্য করে রাশেদ খাঁন বলেছেন, জ্বালানী সংকট একটি জাতীয় সংকট। জাতীয় সংকটকে পুঁজি করে জামায়াত বা ১১ দলীয় জোট লংমার্চ করছে। এতে দেশে জ্বালানী তো আরও বাড়বে। আপনারা সরকারকে সহযোগীতা করুন। আপনারা যদি এই ভাবে লংমার্চ করেন, রাষ্ট্রকে অশান্ত করেন, তাহলে তো আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে।
জামায়াতে ইসলামকে দাঁয়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার ইঙ্গিত দিয়ে রাশেদ খাঁন বলেছেন, শেখ হাসিনা তো অপেক্ষা করছে। জামায়াত কতদিনে কত সময়ে রাষ্ট্রকে অশান্ত করে। জামায়াতের ওপর নির্ভর করছে আওয়ামী লীগ ফিরে আসার। আওয়ামী লীগ ফিরে আসলে শহীদ আবরার ফাহাদকে যেভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। সেইভাবে আমাকে আপনাকে হত্যা করবে। আমার কাছে মনে হয় জামায়াত আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনার জন্য এক ধরনের চক্রান্ত করছে। তবে বাংলাদেশের জনগণ সোচ্চার রয়েছে।
জামায়াত যদি মনে করে আওয়ামী লীগকে সাথে নিয়ে ৯৬ এর মতো বিএনপির বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। তাহলে এদেশের জনগণ জামায়াতের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবে। এমন মন্তব্য করে রাশেদ খাঁন বলেন, আমার স্পষ্ট কথা যে সংগঠনটি শহীদ আবরার ফাহাদকে খুন করেছে। ওই সংগঠন এবং ওই দলের আর বাংলাদেশে ফিরে আসার কোনো সুযোগ নাই। জামায়াত চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগকে আর বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনতে পারবেনা। আমরা যারা আধিপত্য বিরোধী, আবরার ফাহাদের চেনতাকে ধারণ ধারি।