
রাজবাড়ীর পাংশায় সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃষিপণ্যে ধলতা ও তোলাবাজি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রকৃত কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়াসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার পাংশা উপজেলা পরিষদের সামনে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি পাংশা উপজেলা শাখার উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। পাংশা উপজেলা শাখার সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাজবাড়ী জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কৃষক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোষ দাস।
বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ভিত্তি কৃষির ওপর নির্ভরশীল। অথচ কৃষি ও কৃষক সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। কৃষক মাঠে ফসল ফলান। আর ফসল উৎপাদনে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় উপকরণগুলোর একটি রাসায়নিক সার। দীর্ঘদিন ধরে সারের বাজার অস্থিতিশীল রয়েছে। তারা বলেন, সরকার নির্ধারিত এক কেজি ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ২৭ টাকা। কিন্তু কৃষকদের স্থানভেদে ৩০ থেকে ৩৩ টাকা কেজি দরে কিনতে হচ্ছে। এক কেজি ডিএপি সারের খুচরা মূল্য ২১ টাকা, টিএসপি ২৭ টাকা এবং এমওপি (পটাশ) ২০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও পাংশা ও আশপাশের কোনো স্থানেই এসব সার নির্ধারিত দামে পাওয়া যাচ্ছে না। স্থানভেদে কোনো কোনো সার ৪৫ টাকা কেজি দরেও কিনতে হচ্ছে। কৃষক দোকানে গেলে বিক্রেতারা সারের সংকটের কথা বলেন। অথচ বেশি টাকা দিলেই সারের অভাব থাকে না। সারের এ সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে।