ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

নোবিপ্রবিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নোবিপ্রবিতে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন অডিটোরিয়ামে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান (এমপি)। অনুষ্ঠানের শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন, পবিত্র ধর্মগ্রন্থ থেকে পাঠ ও ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। এরপর নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ নবীন শিক্ষার্থীদের উষ্ণ অভিনন্দন জ্ঞাপন করে বলেন, দীর্ঘদিনের অধ্যাবসায়, ত্যাগ এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে তোমরা এখানে আসার সুযোগ পেয়েছো। বিশ্ববিদ্যালয় তোমাদের শুধু ডিগ্রি প্রদান করবে না, এখানে তোমরা শিখবে কিভাবে ভিন্নমতকে সম্মান জানাতে হয় এবং দেশের সমাজ, রাজনীতি ও অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে হয়। সময়ের বরপুত্র হয়ে তোমাদের নিজের ভবিষ্যৎ নিজেকেই গড়ে তুলতে হবে। এখানে অনেক বাস্তবতা ও নতুন অভিজ্ঞতা আসবে, কিন্তু জ্ঞান অর্জন থেকে কখনও দূরে সরে আসবে না।

গেস্ট অব অনারের বক্তব্যে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান (এমপি) বলেন, আজকের এই দিনে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি বাংলাদেশের তিনবারের সফল প্রধানমন্ত্রী, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। যিনি অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। আজকের এই মূহুর্তটি অত্যন্ত আনন্দঘন, কারণ স্কুল-কলেজের গণ্ডি পেরিয়ে তোমরা বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গণে পা রেখেছো। এ সময় সংসদ সদস্য আরও বলেন, আমরা এ অঞ্চলে সমুদ্রবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট গড়ে তুলবো যেখানে এমন সব গবেষক তৈরি হবে যারা সমুদ্রের অবারিত সম্পদকে আবিষ্কারের পাশাপাশি আহরণের পথ দেখিয়ে দেবে।

সোনাপুরের দক্ষিণে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের জন্য একটি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। ১০০ একরের এই ক্যাম্পাসের পাশাপাশি আরও একশ থেকে দেড়শ একরের ক্যাম্পাস গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অল্প দিনের মধ্যেই ক্যাম্পাসের সামনের রাস্তাকে চার লেন করার কাজ শুরু করা হবে এবং সোনাপুর রেলওয়েকে আরও দক্ষিণে সম্প্রসারণ করে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় নতুন একটি রেল স্টেশন করা হবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত