প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ৩০ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান যুগে মুঠোফোন, কম্পিউটার ও সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে সাইবার বুলিং বা অনলাইন হয়রানিও। সাইবার বুলিং বলতে অনলাইনে কাউকে হুমকি দেওয়া, গালাগালি করা, অপমান করা বা ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস করার মতো কর্মকেই বোঝায়। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা এ সমস্যার শিকার সবচেয়ে বেশি। অনেক সময় তাদের ছবি বা ভিডিও বিকৃত করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যা ভুক্তভোগীদের ওপর তীব্র মানসিক চাপ তৈরি করে।
সাইবার বুলিংয়ের প্রভাব অত্যন্ত গভীর। এটি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তাদের স্বাভাবিক বিকাশ ও শিক্ষাজীবনকে ব্যাহত করে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা আত্মবিশ্বাস হারায়, পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যায় এবং শিক্ষার অগ্রগতিতে স্থায়ী ক্ষতি ঘটে। তাই শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বাড়াতে ও প্রয়োজনীয় মানসিক সহায়তা দিতে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সিলিং সেবা চালু করা এখন অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের কল্যাণ ও সুস্থ ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তুলতে সাইবার বুলিং প্রতিরোধে সরকারিভাবে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়