ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

সব সরকারি পরিত্যক্ত ভবন চিকিৎসাকেন্দ্র করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ
সব সরকারি পরিত্যক্ত ভবন চিকিৎসাকেন্দ্র করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

রুমন জানান, শুধুমাত্র এলজিইডির পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- সরকারি ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে পরিত্যক্ত ভবনগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা এবং স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে এক বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন সরকারপ্রধান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ তথ্য জানিয়েছেন। রুমন বলেন, প্রধানমন্ত্রী ই-হেলথ কার্ড চালুর কাজ শুরু করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে যথাযথ নির্দেশনা দিয়েছেন। সরকারের নীতি হচ্ছে চিকিৎসাসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া। এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে আরও সক্রিয় হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, বৈঠকে সরকারি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার পরিত্যক্ত ভবনগুলো চিহ্নিত করে সেগুলোকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। রুমন জানান, শুধুমাত্র এলজিইডির পরিত্যক্ত ভবন রয়েছে ১৭০টি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- সরকারি ও এর অধীনস্থ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যে পরিত্যক্ত ভবনগুলো রয়েছে, সেগুলো ক্লিনিক ও চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এ ব্যাপারে তিনি মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন। বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এমএ মুহিতসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় আনসার বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (ভিডিপি) সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল বুধবার সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এ নির্দেশনা দেন। সাক্ষাৎকালে উভয়ে পারস্পরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বাসসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাক্ষাৎকালে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি’র দেশপ্রেম এবং পেশাদারিত্বে তাদের নিরলস প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এছাড়াও সরকার প্রধান জনগণের স্বার্থে জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে বাহিনীর সব সদস্যের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনীকে সদা প্রস্তুত থাকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন বলেও জানান আতিকুর রহমান রুমন। এ সময় মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ আনসার ও ভিডিপির বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর : সারা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাস জমি, চরাঞ্চল, নদীর দুই পাড়ে, সড়ক-মহাসড়কের দুই ধারে, বনাঞ্চলে যেখানে বৃক্ষ নেই সেসব স্থানে, সরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙ্গিনায় প্রভৃতি স্থানে এই সব বৃক্ষরোপণের কথা বলেন তিনি।

গতকাল বুধবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ সংক্রান্ত সেলের সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সেলের কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রতি শিক্ষার্থী একটি করে বৃক্ষরোপণ করবে এবং সেই বৃক্ষ তারা পরিচর্যা করবে। সরকারি নার্সারি ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি নার্সারি থেকে চারা সংগ্রহ করা হবে। বৈঠকে বন ও পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ?নাসিমুল গনি ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। দিনের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন আনসার ও ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুম্মন জানান, প্রধানমন্ত্রী দেশের শান্তি, নিরাপত্তা এবং জনগণের স্বার্থে জনসেবামূলক কাজ অব্যাহত রাখতে মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত