ঢাকা সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৬ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

সংবিধান সংস্কার নিয়ে উত্তাপ

সংবিধান সংস্কার নিয়ে উত্তাপ

‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর বিশেষ অধিবেশন আহ্বান এবং ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের দাবি ঘিরে আজ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে জাতীয় সংসদ। এ নিয়ে গতকাল রোববার সংসদ অধিবেশনে সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক বাদানুবাদ ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয়েছে। পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ড. শফিকুর রহমান জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের (আদেশ নং ১) অনুচ্ছেদ ১০ অনুযায়ী বিশেষ অধিবেশন ডাকার দাবি জানান। একই সঙ্গে তিনি আজকের অধিবেশনে ৭১ বিধি ও রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা স্থগিত রেখে সংবিধান সংস্কার নিয়ে আলোচনার দাবি তোলেন।

একটি জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ উত্থাপন করে ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী আমি যথাযথভাবে নোটিশ জমা দিয়েছি। জুলাই জাতীয় সনদ ও সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫-এর আলোকে আমি এই নোটিশটি উত্থাপন করছি। আপনি আলোচনার জন্য এটি মঞ্জুর করবেন বলে বিশ্বাস করি।’ তার এই বক্তব্যের পরপরই সংসদীয় কার্যপ্রণালি বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সরকারি দলের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, সংসদীয় রীতি অনুযায়ী তারকাচিহ্নিত প্রশ্ন এবং ৭১ বিধি শেষ হওয়ার পরই যেকোনো বিষয় উত্থাপন করা হয়। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে বিধি শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করার অনুরোধ জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বক্তব্য দিতে দাঁড়ালে পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে ওঠে। মন্ত্রী পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলতে চাইলে স্পিকার তাকে বারবার মূল বক্তব্যে ফিরে আসার অনুরোধ করেন। স্পিকার তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘মন্ত্রী, আপনি দয়া করে আপনার কথা শেষ করুন।’ জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনি অনুমতি না দিলে দিস ইজ মাই পয়েন্ট অব অর্ডার।’ পরবর্তীতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাব নিয়ে সরকারেরও বলার আছে। তবে সংসদের শৃঙ্খলা রক্ষায় প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ৭১ বিধির পরেই এটি আলোচনা হওয়া উচিত যাতে অন্য সদস্যদের অধিকার রক্ষিত হয়।

এদিকে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, বিষয়টি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হলেও তার অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উত্তর দিচ্ছেন। ড. শফিকুর রহমান বলেন, ‘স্পিকারের কথা মতোই আমি প্রশ্নোত্তর পর্বের পর দাঁড়িয়েছি। এটি আমার অধিকার এবং দায়িত্ব।’ দুই পক্ষের বাগ্বিতণ্ডার পর স্পিকার সংসদীয় বিধি অনুসরণ করে পরবর্তী কার্যদিবসে বা নির্ধারিত সময়ে বিষয়টি আলোচনার আশ্বাস দিলে সংসদ পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সংসদ ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে দেশেও ইনসাফ কায়েম সম্ভব হবে - শফিকুর রহমান : সংসদ ইনসাফের ভিত্তিতে পরিচালিত হলে দেশেও ইনসাফ কায়েম করা সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। গতকাল রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সূচনা বক্তব্যের পর তাকে শুভেচ্ছা জানিয়ে দেওয়া বক্তব্যে ডা. শফিকুর এ কথা বলেন।

সংসদ যেন দেশের সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়- সেই আশাবাদ ব্যক্ত করে শফিকুর রহমান বলেন, এই চেয়ারটি ইনসাফের (ন্যায়বিচারের) জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ চেয়ার। এই চেয়ার থেকে আপনি (ডেপুটি স্পিকার) ইনসাফের বার্তা দিয়েছেন যে, আপনি নিরপেক্ষভাবে সবকিছু বিবেচনা করবেন, তার জন্য আমি আপনাকে আরেকবার অভিনন্দন জানাই।

জামায়াত আমির বলেন, আমরা আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, আপনার দায়িত্ব পালনকালে আমাদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য সকল পদক্ষেপে আমরা সহযোগিতা করে যাবো, ইনশাআল্লাহ। সংসদের বিরোধীদলীয় এই নেতা আরও বলেন, মানুষ হিসেবে যে কেউ ভুল করতে পারে; আপনার এই চেয়ার থেকেও যদি কোনো ভুল হয়ে যায়, তবে আমরা যেন আপনাকে শুধরে দিয়ে সহযোগিতা করতে পারি- সেই দায়িত্ব আমরা নির্দ্বিধায় পালন করব।

দুর্নীতিকে প্রশ্রয় না দিয়ে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাটে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার - স্থানীয় সরকারমন্ত্রী : আগামী দিনগুলোতে কোনো প্রকার দুর্নীতি প্রশ্রয় না দিয়ে গ্রামাঞ্চলের রাস্তাঘাট এবং যোগাযোগব্যবস্থায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল রোববার বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি অধিবেশনে রংপুর-৪ (পীরগাছা-কাউনিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ১৩ দিনের বিরতি শেষে এদিন বিকেল ৩টায় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে এ অধিবেশন শুরু হয়।

আখতার হোসেনের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘আমি সংসদ সদস্যের বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করছি। বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের নামে মেগা প্রজেক্টগুলোতে চরম দুর্নীতি হয়েছে।’

অঞ্চলভিত্তিক বৈষম্য হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা নিজ নিজ এলাকায় বেশি বরাদ্দ নিয়েছেন, ফলে উত্তরাঞ্চলের রাস্তাঘাট চরমভাবে অবহেলিত থেকে গেছে। এর আগে সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেন, আমার এলাকায় সড়কের অবস্থা বেহাল। বর্ষাকালে রাস্তাঘাটের বেহাল দশার কারণে মানুষ ঠিকমতো বাড়ি পৌঁছাতে পারে না। চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা না থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য সময়মতো বাজারে নিতে পারেন না, ফলে পণ্যের সঠিক মূল্য পাওয়া যায় না এবং কৃষকরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

রাস্তার পরিসংখ্যান তুল ধরে তিনি বলেন, কাউনিয়া উপজেলায় মোট ৫৩৫ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে মাত্র ১৯৮ কিলোমিটার পাকা, আর ৩৩৭ কিলোমিটার এখনও কাঁচা সড়ক। পীরগাছা উপজেলায় ৮৪২ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে মাত্র ২৫১ কিলোমিটার পাকা, আর ৫৯১ কিলোমিটার এখনো কাঁচা। পুরো আসনে (রংপুর-৪) ১ হাজার ৩৭৭ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে মাত্র ৪৮৯ কিলোমিটার পাকা এবং এখনও ৮৮৮ কিলোমিটার রাস্তা পাকাকরণ বাকি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, সরকার মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছে। তাই স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াত ব্যবস্থা ও অ্যাম্বুলেন্স চলাচলের সুবিধার্থে রুটিন কাজের বাইরে রাস্তা পাকাকরণের জন্য বিশেষ কোনো মেগা প্রকল্প গ্রহণ করা হবে কি না।

গণভোট-জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে আগে আলোচনা হোক - সংসদে নাহিদ ইসলাম : গণভোট এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিষয়ে জাতীয় সংসদে আগে আলোচনার অনুরোধ জানান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, আমরা আপনার (ডেপুটি স্পিকার) প্রতি এবং এই হাউজের প্রতি আবেদন জানাচ্ছি যে জনগুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে- গণভোট এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, সেটাতে আগে আলোচনা হোক। এটা আমাদের অনুরোধ রইলো। গতকাল রোববার বিকেল ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠক শুরু হয়েছে। এসময় এ অনুরোধ জানান নাহিদ ইসলাম। সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। সংসদে নাহিদ ইসলাম বলেন, গণভোট-জুলাই সনদ বেশি গুরুত্ব সহকারে এই সংসদে আলোচনা হওয়া উচিত, এর সুরাহা হওয়া উচিত। তারপরে আমাদের যে রেগুলার, যে দৈনন্দিন কার্যক্রম সেটি হওয়া উচিত। আজ বিধি মোতাবেকই বিরোধীদলীয় নেতা নোটিশ দিয়েছেন। এরপর ডেপুটি স্পিকার বলেন, বিধি অনুযায়ী কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা এলে সাধারণত সেগুলো আলোচনা হয়। এটার জন্য দুই ঘণ্টা সময় নির্ধারিত আছে। ৭১ বিধির পরে আপনার এই নোটিশটির ব্যাপারে আমরা সিদ্ধান্ত জানাব।

সংসদ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের সার্বভৌমত্বের কেন্দ্র - ডেপুটি স্পিকার : জাতীয় সংসদের নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল (নেত্রকোণা-১) সংসদে তার প্রথম আনুষ্ঠানিক ভাষণে নিরপেক্ষতা ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘সংসদ কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়; এটি জনগণের সার্বভৌমত্বের কেন্দ্র এবং পবিত্র আমানত।’ গতকাল রোববার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে প্রথমবারের মতো সভাপতিত্ব করার সময় তিনি এই ঐতিহাসিক বক্তব্য দেন। কায়সার কামাল বর্তমান সংসদকে ‘মজলুমদের সংসদ’ হিসেবে অভিহিত করে সংবিধান ও কার্যপ্রণালী বিধি অনুযায়ী সংসদ পরিচালনার ঘোষণা দেন। বক্তব্যের শুরুতে তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং তার নির্বাচনি এলাকা কলমাকান্দা-দুর্গাপুরের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের। বিশেষ করে শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ খ্যাত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অবদানের কথা উল্লেখ করেন তিনি। ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানকে গণতন্ত্রের নতুন দ্বার উল্লেখ করে তিনি শহীদ আবু সাঈদ, ওয়াসিম আকরাম ও মীর মুগ্ধসহ সব শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

সংসদ পরিচালনায় পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘আমি এরইমধ্যে সরকারি এবং দলীয় সকল পদ থেকে পদত্যাগ করেছি। স্পিকারের নির্দেশনা অনুযায়ী আমি প্রতিটি সদস্যের অধিকার, মর্যাদা এবং সমান সুযোগ নিশ্চিতে কাজ করব।’ তিনি হযরত আবু বকর (রা.)-এর আদর্শের কথা স্মরণ করে সদস্যদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘আমি সঠিক থাকলে আপনারা সাহায্য করবেন, আর ভুল করলে শুধরে দেবেন।’

এবারের সংসদের বিশেষত্ব তুলে ধরে তিনি আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, ‘এই সংসদ বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। এখানে এমন অনেক সদস্য আছেন যারা ফাঁসির মঞ্চের কন্ডেম সেল থেকে এসেছেন, কেউ এসেছেন আয়নাঘর থেকে, কেউ দীর্ঘ নির্বাসন থেকে, আর কেউ এসেছেন গুম-নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতি নিয়ে। আমরা সবাই এখানে মজলুম হিসেবে সমবেত হয়েছি।’

বিখ্যাত আইনবিদ এ.ভি. ডাইসির ‘রুল অব ল’ বা আইনের শাসনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। লন্ডনে পড়াশোনার সুবাদে দেখা ওয়েস্টমিনস্টার স্টাইলের গণতন্ত্রের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর। সবশেষে তিনি জাতীয় স্বার্থে সরকার ও বিরোধীদলের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গঠনমূলক সমালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব বুধবারে নির্ধারণের প্রস্তাব : জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব নির্দিষ্ট দিনে আয়োজনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। গতকাল রোববার সংসদের মুলতবি অধিবেশনে বক্তব্যকালে একজন সংসদ সদস্য এ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তিনি প্রস্তাব করেন, সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিন বিশেষ করে বুধবার প্রধানমন্ত্রীর জন্য বরাদ্দ রাখা হলে সংসদীয় কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে। স্পিকার এ বিষয়ে প্রশ্নটি রেফার করার নির্দেশ দেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত