
আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সরকারের শাসনামলে বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৭ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
এদিন এ মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ২ মাস সময়ের আবেদন করে প্রসিকিউশন। শুনানি শেষে আবেদন মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য পরবর্তী তারিখ ২৭ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়। ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন- প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী, তাসমিরুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর। এদিকে, সকালে কারাগার থেকে জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। একই মামলায় গত ১০ আগস্ট তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চেয়েছিল প্রসিকিউশন। এর প্রেক্ষিতে তাকে আজ হাজিরের জন্য দিন ধার্য রাখা হয়। এর আগে, ২০২৫ সালের ৩ জুন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে নিজের গুম হওয়ার অভিযোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। অন্য ছয়জন হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি একেএম শহীদুল হক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আসাদুজ্জামান মিয়া, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলাম।