ঢাকা বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

১১২ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলে ব্যাখ্যা চাইল বোর্ড

১১২ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিলে ব্যাখ্যা চাইল বোর্ড

তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় ১১২ কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও ভর্তি কার্যক্রম কেন বাতিল হবে না, এই মর্মে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এর মধ্যে ৮৬টি ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ও ডিপ্লোমা ইন অ্যাগ্রিকালচার শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ও ২৬টি এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে সময় দেওয়া হয়েছে। গত সোমবার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পৃথক দুই তাগিদপত্রে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তাগিদপত্রে বলা হয়, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন ডিপ্লোমা ও এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী ১১২টি প্রতিষ্ঠান বিগত তিন বছর ধরে শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদনের শর্তাবলিতে উল্লেখ আছে, প্রতিষ্ঠানে পর পর তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি না করলে পাঠদান অনুমোদন বাতিল করা হবে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপ্লোমা পর্যায়ের বেসরকারি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন, পাঠদান ও স্বীকৃতি প্রদানসংক্রান্ত নীতিমালা-২০২০ এর বিধি ৫.৪ মোতাবেক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ফলাফল, অবকাঠামো, শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা কমিটি, আসবাবপত্র, যন্ত্রপাতি, লাইব্রেরি, পাঠদানের অনুমতি প্রদানকালে আরোপিত এবং অন্যান্য প্রযোজ্য শর্তাবলি পূরণে ব্যর্থ হলে সরকারের অনুমোদনক্রমে বোর্ড পাঠদানের অনুমতি বাতিল করতে পারবে।

গত তিন বছর শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা না করায় সংযুক্ত তালিকায় উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানগুলোর আগামী ২০২৭-২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে ভর্তি কার্যক্রম স্থগিতসহ প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন কেন বাতিল/প্রত্যাহার করা হবে না, এ বিষয়ে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

এর আগে গত ৫ অক্টোবর ৮৬টি প্রতিষ্ঠানকে শোকজ বা তাগিদপত্র পাঠিয়েছে কারিগরি শিক্ষা বোর্ড। এতে আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে কেন তাদের পাঠদান অনুমোদন বা স্বীকৃতি প্রত্যাহার করা হবে না, তার কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।

নতুন করে ২৬টি এইচএসসি (বিএমটি) শিক্ষাক্রম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানকে আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে সময় দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত