ঢাকা শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

জুমা পড়ে শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

জুমা পড়ে শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় প্রধানমন্ত্রীর

জুমার নামাজের পর শিশুদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় শিশুদের সঙ্গে আন্তরিক ও প্রাণবন্ত সময় কাটান তিনি। প্রধানমন্ত্রী তাদের খেলাধুলার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি ফুটবল, ক্রিকেট ও বাস্কেটবল নিয়ে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে শিশুদের ফুটবল দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। গতকাল শুক্রবার বনানীতে নৌ-বাহিনীর কেন্দ্রীয় মসজিদে জুমার নামাজ আদায়ের পর এ আলাপচারিতা হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছেন সরকার প্রধানের অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী সাধারণত নৌ-বাহিনীর সদর দপ্তরে কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে নামাজ আদায় করেন। আজ জুমার নামাজের পর বাইরে এসে কিছু কোমলমতি শিশুর সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন, তারা কী ধরনের খেলাধুলা করে, সে বিষয়েও খোঁজ নিয়েছেন।' তিনি শিশুদের কাছে জানতে চেয়েছেন, তারা কী খেলা পছন্দ করে, তারা খেলাধুলা করে কি না। তখন কেউ বলেছে ফুটবল খেলে, কেউ বলেছে ক্রিকেট খেলে। প্রধানমন্ত্রী জানতে চেয়েছেন তারা বাস্কেটবল খেলে কি না, টেবিল টেনিস খেলে কি না।'

শিশুদের সঙ্গে আলাপচারিতার একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, 'তোমাদের ফুটবল আছে?' জবাবে শিশুরা জানায়, তাদের ফুটবল আছে। কয়টি ফুটবল আছে জানতে চাইলে শিশুরা জানায়, চার-পাঁচটি। খেলার সময় সেগুলো কেউ নিয়ে আসে বলেও প্রধানমন্ত্রীকে জানায় তারা। এসময় প্রধানমন্ত্রী তার ব্যক্তিগত কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চান, তার গাড়িতে কোনো ফুটবল আছে কি না। কর্মকর্তারা জানান, গাড়িতে ফুটবল নেই। তখন শিশুদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'নেক্সট জুম্মাবার ফুটবল দেবো, ইনশাআল্লাহ।'

শুধু ফুটবল নয়, শিশুদের কাছে ক্রিকেট সম্পর্কেও জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। শিশুরা তাকে জানায়, সেখানে ক্রিকেট খেলার পিচ নেই। এসময় বাস্কেটবল সম্পর্কেও শিশুদের কাছে জানতে চান তিনি। শিশুরা জানায়, তাদের বাস্কেটবল রয়েছে। শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহের কথা শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফুটবল, বাস্কেটবল, টেবিল টেনিসসহ কী কী আনা যায়, তা তিনি দেখবেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী শিশুদের খেলার সামগ্রী দেওয়ার আশ্বাস দেন। পরে তিনি তাদের সঙ্গে হ্যান্ডশেক করে 'ওকে, সবাই ভালো থেকো' বলে বিদায় নেন।' শিশুদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এই সহজ ও আন্তরিক কথোপকথনে উঠে আসে তাদের খেলাধুলার চাহিদা এবং আনন্দের বিষয়টি। ফুটবল দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে আগামী শুক্রবার আবারও শিশুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত