
গত ২৪ ঘন্টায় হামের উপসর্গ ও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে হামের উপসর্গে চারজন এবং ডেঙ্গুতে তিনজনের মত্যুর খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭১ জনে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে মারা গেছেন ১০৫ জন। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজার ২৭৬। গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের প্রকাশিত নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া চারজনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১ হাজার ২৩৯ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহভাজন হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭১৪ জনে।
একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছেন আরও ৭৫ জন। এ নিয়ে দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ২৯৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহভাজন ও নিশ্চিত হাম রোগী মিলিয়ে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৩১৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম সন্দেহে ভর্তি হয়েছেন ২ লাখ ১০ হাজার ৯৮২ জন। তাঁদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লাখ ২ হাজার ৩৯৪ জন।
ডেঙ্গুতে প্রাণ হারালেন ৩ জন
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল শুক্রবার সকাল ৮ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রন্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৩৫ জন। গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭২১ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭৫ জন, খুলনা বিভাগে ১৬১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৪ জন, রংপুর বিভাগে ৪৩ জন এবং বরিশাল বিভাগের ১৪৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। তবে এ সময়ের মধ্যে সিলেট বিভাগে নতুন কেউ আক্রান্ত হয়নি। আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে গতকাল পর্যন্ত সারাদেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯০৬ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৮ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৫ হাজার ৭৭৩ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে মারা গেছেন ৪৫৫ জন।