ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

ইরান যুদ্ধে অবরুদ্ধ সমুদ্র, মধ্যপ্রাচ্যে ফিরছে স্থলপথের বাণিজ্য

ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন বড় ধরনের বাধার মুখে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের সমুদ্রপথগুলো। এ পরিস্থিতিতে আবারও গুরুত্ব বাড়ছে স্থলপথের। সড়ক, রেল, পাইপলাইন এমনকি ফাইবার-অপটিক কেবলও নতুন করে আঞ্চলিক যোগাযোগের বিকল্প পথ হয়ে উঠছে।

দক্ষিণ ইরাকের তেলক্ষেত্র থেকে সিরিয়ার ভূমধ্যসাগরীয় বন্দর বানিয়াসে যেতে ও ফিরতে প্রায় ১০ দিন সময় লাগে। তাপমাত্রা কখনও ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যায়। তবু প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৩০০ ট্রাকের বিশাল বহর এই পথে চলাচল করছে বলে জানিয়েছেন সিরিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ইয়ারোব বদর। হরমুজ প্রণালি ছয় মাস ধরে বিভিন্ন সময় বন্ধ থাকায় ইরাকের তেল রপ্তানির বিকল্প পথের প্রয়োজন তৈরি হয়েছে। বর্তমানে স্থলপথে যাওয়া এসব ট্রাক ইরাকের যুদ্ধ-পূর্ব তেল রপ্তানির আনুমানিক পাঁচ শতাংশ বহন করছে। পরিমাণটি খুব বেশি নয়। তবে এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের বাণিজ্যিক মানচিত্রে একটি বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাহাজ চলাচলে হামলা এবং বিভিন্ন সময় বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় দেশগুলোকে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা খুঁজতে হচ্ছে। ১৫০৭ সালে পর্তুগিজ এক জেনারেল হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের পর সমুদ্রপথ ধীরে ধীরে স্থলপথের জায়গা দখল করে নেয়। উটের কাফেলার জায়গা নেয় জাহাজ। পরে আসে আরও বড় বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী সুপারট্যাংকার। কিন্তু যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা ও সমুদ্রপথে নিরাপত্তাঝুঁকি পুরোনো স্থলবাণিজ্যপথকে আবারও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত