ঢাকা রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

আমাদের একমাত্র এজেন্ডা অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা : সিইসি

আমাদের একমাত্র এজেন্ডা অবাধ সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা : সিইসি

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, আমাদের একমাত্র এজেন্ডা অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা। তিনি বলেন, পারফেক্ট নির্বাচন করার জন্য এক নম্বর শর্ত হল রুল অফ ল’ বা আইনের শাসন। যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে আমরা জনগণের কাছে যে ওয়াদা করেছি তা রক্ষা করব। গতকাল শনিবার রাজধানীর হোটেল লেকশোর হাইটসে এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিল্ডিং ব্রিজ : রিজিওনাল ইলেক্টোরাল গভর্নেন্স এন্ড সিটিজেন অবজার্ভেশন এক্সচেঞ্জ’ শীর্ষক কর্মশালার তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের কমিশন একটি স্বাধীন, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমাদের একমাত্র এজেন্ডা হলো একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে আমরা দিন-রাত কাজ করছি। আত্মবিশ্বাসী ভবিষ্যতে যত চ্যালেঞ্জই আসুক না কেন, আমরা জাতি ও বিশ্বকে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা পূরণ করতে পারব। সরকারও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের ব্যাপারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাজনৈতিক দলগুলোও বলছে যে তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। এটি আমাদের জন্য অতিরিক্ত সুবিধা।’

সিইসি বলেন, ‘পরিস্থিতি যাই হোক, মাঠপর্যায়ের নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি আমরা গ্রহণের চেষ্টা করছি। আশা করছি নির্বাচনের সময় এলে আমরা সম্পূর্ণ প্রস্তুত থাকব, যেটি আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি।’

নির্বাচনে অসংখ্য চোখ থাকবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, আমরা চাই পর্যবেক্ষকদের চোখকে কাজে লাগাতে। পর্যবেক্ষকরা আমাদের পক্ষ থেকে দেখবেন। নির্বাচনে পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকরাই হবেন আমাদের সিসি ক্যামেরা। আমরা সবাই মিলে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন করার জন্য কাজ করছি।’

নির্বাচনের সময়ের মধ্যে সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে উল্লেখ করে সিইসি বলেন, ‘আমি আশাকরি সবাই দায়িত্বশীল, বিবেকবান ও পরিপক্ব আচরণ করবেন। অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করতে একসঙ্গে কাজ করবেন। আমাদের নির্বাচনের প্রস্তুতি পূর্ণ গতিতে চলছে এবং আমরা প্রতিশ্রুত সবকিছু বাস্তবায়নে প্রস্তুত থাকব।’

গণভোট আয়োজনের বিষয়ে সিইসি বলেন, ‘গণভোটের ব্যাপারে আপনারা চারটা প্রশ্ন দেখেছেন। চারটা পয়েন্টে হ্যাঁ বা না বলতে হবে। গণভোটের আইন হলে, আইনের মধ্যেই বলা থাকবে যে এর মধ্যে হ্যাঁ বা না বলতে হবে। আইনটা না হওয়া পর্যন্ত প্রকৃত ভাষাটা আমি বলতে পারবো না। আইনটা হলে আইনের মধ্যে বলা থাকবে ব্যলটে কি লেখা থাকবে। এটার মধ্যে প্রসিডিউটা বলা থাকবে গণভোট কিভাবে করতে হবে। আমরা রেফারেন্ডম (গণভোট) আইনের জন্য অপেক্ষা করছি।

তিনি আরও বলেন, রেফারেন্ডমের বিষয়ে আমি আইন উপদেষ্টার সাথে কথা বলেছি। তিনি বলেছেন, আগামী সপ্তাহে রেফারেন্ডাম আইন হবে। এই রেফারেন্ডাম আমাদের জন্য আরেকটা চ্যালেঞ্জ। তবে আমরা এটা করব।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত