ঢাকা সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

মোস্তাফিজ কি পাবেন নিলামের ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি

মোস্তাফিজ কি পাবেন নিলামের ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি

উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের হুমকির মুখে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের তারকা পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দিয়েছ কলকাতা নাইট রাইডার্স (পেককেআর)। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্দেশের পর প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। ভারতের এমন সিদ্ধান্তের পর প্রশ্ন উঠেছে তাহলে নিলামে যে টাকায় বিক্রি হয়েছেন মোস্তাফিজ। সে টাকার কি হবে।

প্রায় পুরো সময়ের জন্যই তাকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) হয়ে খেলতে অনাপত্তিপত্র দিয়েছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মধ্যে এপ্রিলের দ্বিতীয় ভাগে এক সপ্তাহের জন্যই শুধু বাংলাদেশে ফেরার কথা ছিল তার। কিন্তু ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের নির্দেশনায় গতকাল শনিবার পুরো আসর থেকেই মোস্তাফিজকে ছেড়ে দিয়েছে কেকেআর। প্রশ্ন হচ্ছে, মোস্তাফিজ নিজে যেহেতু সরে যাননি, নিলামে ওঠা ৯ কোটি ২০ লাখ রুপি কি তিনি পাবেন?

আইপিএলে খেলোয়াড়দের চুক্তিসংক্রান্ত নিয়ম কী বলে

বিসিসিআই চাইলে আইপিএল বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত যেকোনো সময় নিতে পারে। এমনকি নির্দিষ্ট কোনো খেলোয়াড়কে খেলা থেকে বিরত রাখা বা নিষিদ্ধ করাও। তবে মোস্তাফিজের বিষয়টি নজিরবিহীন। এর আগে কোনো খেলোয়াড়কে নিলামের মাধ্যমে দলভুক্ত করে ফেলার পর শুধু রাজনৈতিক কারণে সরিয়ে দেওয়া হয়নি। মোস্তাফিজের নিলামে পাওয়া দামের ক্ষেত্রেও তাই বিসিসিআইকে নতুন নজিরই গড়তে হবে। আইপিএলে ‘নো প্লে, নো পে’ (খেলা না হলে বেতন নয়) নিয়ম রয়েছে। এই নিয়ম তখনই প্রযোজ্য হয়, যখন কোনো খেলোয়াড়কে নিলামে কেনার পর তিনি একটি ম্যাচও না খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে সরে যান। এই সরে যাওয়া হতে পারে চোট বা অন্য যেকোনো কারণেই। এ ধরনের ঘটনায় খেলোয়াড়টিকে কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। নিয়ম অনুযায়ী, নিলামের পর খেলোয়াড় ও ফ্র্যাঞ্চাইজির মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়। যদি খেলোয়াড় আহত না হন এবং খেলার জন্য প্রস্তুত থাকেন, তাহলে ফ্র্যাঞ্চাইজিকে পারিশ্রমিক প্রদান করতে হবে। এমনকি পুরো টুর্নামেন্ট বেঞ্চে বসিয়ে রেখে কোনো ম্যাচ না খেলালেও। তবে মোস্তাফিজের সঙ্গে কেকেআরের সেই আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত নয়। অনেক ক্ষেত্রেই খেলোয়াড় দলে যোগ দেওয়ার পরে এই সইয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারা হয়। ফ্র্যাঞ্চাইজিকে শুধু তখনই পারিশ্রমিক প্রদান করতে হয় না, যখন খেলোয়াড়টিকে ম্যাচ ফিক্সিং, দুর্নীতিবিরোধী নিয়ম ভাঙা, ডোপিং, আচরণবিধি লঙ্ঘন, অনুমতি ছাড়া অন্য দল বা লিগের সঙ্গে কথা বলা অথবা অনাপত্তিপত্র ছাড়া বিদেশি লিগে অংশগ্রহণের মতো কারণে আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করা হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত