
মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে ১১৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন। দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিনকে গতকাল সকালে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। বেলা ১১টা ২২ মিনিটে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে শুনানি শুরু হয়। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে আদালতে শুনানি করেন দুদকের প্রসিকিউটর দেলোয়ার জাহান রুমি। শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখাতে গত ২৫ মার্চ আবেদনটি করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ। আবেদনে বলা হয়, আসামি মাসুদ উদ্দিন ও অন্যরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অসৎ উদ্দেশে সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার করেন।
তারা ৭ হাজার ১২৪ কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য তাদের কাছ থেকে নির্ধারিত ফির অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণসহ মোট ১১৯ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
এ ঘটনায় গত ১১ মার্চ মাসুদ উদ্দিনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
মাসুদ উদ্দিন জামিনে মুক্তি পেলে তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন, এ জন্য এই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।
রাজধানীর পল্টন থানার মানব পাচার-সংক্রান্ত এক মামলায় মাসুদ উদ্দিনকে গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে ঢাকার বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে একাধিক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বেশ কয়েক দফায় রিমান্ডে নেওয়া হয়।