ঢাকা মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কলা খাওয়ার উপকারিতা

কলা খাওয়ার উপকারিতা

কলা এমন একটি জনপ্রিয় ফল যা সারাবছরই পাওয়া যায়। এটি আমাদের খাদ্যতালিকার অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকে যাত্রাপথে সহজে খাওয়ার জন্য, স্কুলের লাঞ্চ ব্যাগে কিংবা অফিসে হালকা নাস্তা হিসেবে রেখে থাকেন। তবে নিয়মিত কলা খেলে কি সত্যিই কোনো স্বাস্থ্য উপকারিতা পাওয়া যায়, নাকি এটি শুধুই একটি অভ্যাস?

পাকা কলা তার দ্রুত রূপান্তরিত হওয়া প্রাকৃতিক শর্করার মাধ্যমে, প্রশিক্ষণের ঠিক আগে শরীরকে দ্রুত ও ব্যবহারযোগ্য শক্তি জোগায়। অ্যাপালেচিয়ান স্টেট ইউনিভার্সিটির একটি যুগান্তকারী গবেষণা চখঙঝ ঙঘঊ-এ প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় ৭৫ কিলোমিটারের একটি কঠিন সাইক্লিং টাইম ট্রায়ালের সময় কলা খাওয়া সাইক্লিস্টদের সঙ্গে ৬ শতাংশ কার্বোহাইড্রেটযুক্ত স্পোর্টস ড্রিংক পান করা সাইক্লিস্টদের তুলনা করা হয়।

ফলাফলে দেখা গেছে, দুটি দলের মধ্যে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বা সাইক্লিং পারফরম্যান্সে কোনো উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। এটি প্রমাণ করে যে, একটি কলা সত্যিই বিশেষভাবে তৈরি স্পোর্টস ড্রিংকের মতোই কার্যকরভাবে তীব্র ব্যায়ামের জন্য শক্তি জোগাতে পারে।

কলা সাধারণত পটাশিয়ামের সঙ্গে সম্পর্কিত, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং স্বাভাবিক পেশী ও স্নায়ুর কার্যকারিতার সঙ্গে জড়িত। স্বাভাবিক পেশী সংকোচনের জন্য পটাশিয়াম অপরিহার্য। যখন আপনি ব্যায়াম করেন এবং ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে তরল বেরিয়ে যায়, তখন পর্যাপ্ত পরিমাণে ইলেক্ট্রোলাইট গ্রহণ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে পটাশিয়ামের মাত্রা কম থাকলে ব্যায়ামণ্ডজনিত খিঁচুনির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। তাই, এই গুরুত্বপূর্ণ খনিজটির ঘাটতি পূরণের জন্য কলা একটি সহজ ও কার্যকরী উপায় হতে পারে।

সব কলা একই ধরনের কার্বোহাইড্রেট সরবরাহ করে না। পাকার ওপর নির্ভর করে কলার কার্বোহাইড্রেটের গঠন পরিবর্তিত হয়। পাকা কলার চেয়ে কাঁচা বা কম পাকা কলায় বেশি প্রতিরোধী শ্বেতসার (রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ) থাকে। প্রতিরোধী শ্বেতসার ধীরে ধীরে হজম হয় এবং এটি দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে ও স্থিতিশীল শক্তি সরবরাহে সহায়তা করতে পারে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত