
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা থানাধীন প্রতাপপুর থেকে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণের দাবিতে নাঈম উদ্দিন (১৪) নামে এক স্কুলছাত্রকে অপহরণের ৪১ ঘণ্টা পর রাজশাহী শহরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২৪ আগস্ট) রাত ৩টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।
এ সময় ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজশাহী জেলা শহরের আলীগঞ্জের রুবেল (৩৭) ও একই জেলার গোদাগাড়ী এলাকার সুমন (৩৫)কে গ্রেফতার করা হয়।
উদ্ধারকৃত নাঈম উদ্দিন উপজেলার দর্শনা থানাধীন প্রতাপপুর গ্রামের আব্দুল গফফারের ছেলে এবং মদনা হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২২ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে নাঈম উদ্দিন নিজ বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর সে আর ফিরে আসেনি। পরে মোবাইল ফোনে ভিডিও কলের মাধ্যমে হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ মারা অবস্থায় নাঈম উদ্দিনকে পরিবারের সদস্যদের দেখায় দুষ্কৃতকারীরা। এরপর তারা পরিবারের সদস্যদের কাছে দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
সন্ধ্যায় অপহৃতের বাবা আব্দুল গফফার বাদী হয়ে দর্শনা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। দর্শনা থানা পুলিশ মোবাইল ট্র্যাকিং করে জানতে পারে, নাঈম উদ্দিন রাজশাহী শহরের নূর আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছে।
এরপর দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলামের নির্দেশে থানা পুলিশের একটি টিম রাজশাহী পুলিশের সহযোগিতায় নাঈম উদ্দিনকে হোটেল থেকে উদ্ধার করে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেফতার করে।
নাঈম উদ্দিনের বাবা আব্দুল গফফার জানান, গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে তার ছেলে নাঈম উদ্দিন বাড়ি থেকে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। এরপর নাঈম উদ্দিনের মোবাইল ফোনের ভিডিও কলে তার ছেলের হাত-পা বাঁধা ও মুখে টেপ মারা অবস্থায় দেখায় দুষ্কৃতকারীরা। এ সময় তারা দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে।
দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ব্যাপারে থানায় একটি মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে চুয়াডাঙ্গা আদালতে প্রেরণ করা হবে।