ঢাকা বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কিডনি রোগের লক্ষণ নয়তো

কিডনি রোগের লক্ষণ নয়তো

পা ফুলে যাওয়াকে অনেকেই অতিরিক্ত হাঁটাচলা কিংবা আঁটসাঁট জুতার সাধারণ সমস্যা ভেবে এড়িয়ে যান। অনেক রোগী পা ফুললেই কিডনি বিকল হওয়ার আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে চিকিৎসকদের মতে, সব সময় পা ফোলার সঙ্গে কিডনির সরাসরি যোগ নাও থাকতে পারে। এর নেপথ্যে লুকিয়ে থাকতে পারে হৃদরোগ বা রক্তনালির মতো জটিল শারীরিক সমস্যা।

ভেনাস ইনসিফিশিয়েন্সি : পায়ের শিরার মধ্য দিয়ে দূষিত রক্ত ঠিকমতো হার্টে ফিরে না গিয়ে উল্টা পথে প্রবাহিত হয়ে পায়ে জমতে শুরু করলে পা ফুলে যায়। ট্রাফিক পুলিশ বা শিক্ষকদের মতো যাদের দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয়, তাদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। মাধ্যাকর্ষণের টানে রক্ত পায়ের নিচের দিকে এসে জমা হয়।

হার্ট ফেলিয়োর : দুর্বল হৃদ্‌?যন্ত্র ঠিকমতো রক্ত পাম্প করতে না পারলে শিরায় রক্ত জমে চাপ বেড়ে যায়। এর ফলে তরল পদার্থ আশেপাশের টিস্যুতে ছড়িয়ে পড়ে, যাকে 'এডিমা' বলা হয়। এই কারণে পায়ের নিচের অংশ, গোড়ালি ও পাতা অস্বাভাবিক ভাবে ফুলতে শুরু করে।

কিডনির সমস্যা : কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে শরীর থেকে অতিরিক্ত লবণ বেরিয়ে যেতে পারে না। ফলে টিস্যুগুলোতে তরল জমতে শুরু করে, যার প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে পায়ে।

ডিপ ভেন থ্রম্বোসিস : শিরায় রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়া বা রক্ত জমাট বাঁধার প্রক্রিয়ায় ত্রুটি থাকলে রক্ত নিচের অঙ্গগুলোতে আটকে যায়। অবহেলা করলে এই জমাট বাঁধা রক্ত ফুসফুসে পৌঁছে 'পালমোনারি এমবোলিজম'— এর মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া : কিছু ওষুধের প্রভাবেও পায়ে ও গোড়ালিতে ফোলা ভাব (পেরিফেরাল এডিমা) দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে অ্যামলোডিপিনের মতো উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ, আইবুপ্রোফেনের মতো বেদনানাশক, পিয়োগ্লিটাজোনের ডায়াবেটিসের ওষুধ এবং প্রেডনিসোনের মতো স্টেরয়েড।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত