
মোবাইল ফোন এখন শুধু মানুষের যোগাযোগের উপকরণই নয়, এটি এখন মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা; কাজ, বিনোদন এবং নতুন কিছু করার বা বানানোর একটি উপযুক্তমাধ্যম। এছাড়া দৈনন্দিন জীবনের অসংখ্য প্রয়োজনের সঙ্গে এটি ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই এখন প্রায় সবাই একটি ফ্ল্যাগশিপ ফোন ব্যবহার করার প্রয়োজন অনুভব করে। কিন্তু ঠিক এ মুহূর্তে স্টোরেজের পাশাপাশি মোবাইল ডিভাইসের অন্যান্য যন্ত্রাংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের ফোনগুলো সাধারণ মানুষের হাতের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ঠিক এমন সময়ই বাজারে হেলিও মোবাইল তাদের লাইনআপে নতুন একটি ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন নিয়ে এসেছে। যেখানে প্রিমিয়াম ডিজাইন, অ্যামোলেড ডিসপ্লে, শক্তিশালী পারফরম্যান্স, বড় ব্যাটারি এবং স্মার্ট ফিচারের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে একটি পরিপূর্ণ ফ্ল্যাগশিপ অভিজ্ঞতা— হেলিও ১১০!
এ ছাড়াও হেলিও ১১০-এর সঙ্গে পাওয়া যাবে গ্রামীণফোনের বান্ডেল অফার। এত এত আনকমন ফিচার নিয়েও হেলিও মোবাইল এই স্মার্টফোনটির দাম রেখেছে মানুষের হাতের নাগালেই, যা এই মুহূর্তে বাংলাদেশের মার্কেটে কোনো হ্যান্ডসেট ব্র্যান্ড দিতে পারছে না। হেলিও ১১০ পাওয়া যাবে মাত্র ২৬ হাজার ৯৯৯ টাকায় এবং এর সঙ্গে থাকবে ১৫ মাসের সার্ভিস ওয়ারেন্টি।
ফোনটির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক হলো এর ডিজাইন। থ্রিডি ডুয়েল কার্ভড ডিজাইনের পাশাপাশি ফোনটির স্লিমনেস এবং আরগোনমিক গ্রিপ ফোনটিকে শুধু প্রিমিয়াম লুকই দেয়নি, হাত দিয়ে ধরার অনুভূতিতেও দেবে প্রিমিয়াম ফিল। পিইউ লেদার এবং পলিকার্বোনেটের সংমিশ্রণে তৈরি এ ফোনে আছে ফ্লেম অরেঞ্জ এবং নেভি ব্লু—দুটি কালার অপশন। ডিজাইনের পরে ফোনটির আরও একটি বিশেষত্ব হলো এর রিয়ার ভিউ ডিসপ্লে। ফোনের পেছনের এ ছোট্ট ডিসপ্লেটি শুধু দেওয়ার জন্য দেওয়া নয়; এর মাধ্যমে ভলিউম পরিবর্তনের ভিজ্যুয়াল ফিডব্যাক, নোটিফিকেশন ইন্ডিকেশন, সময় ও তারিখ এবং টেক্সট ও ইমোজি দেখার সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে। তাই এ ফোনের ব্যাক সাইডটিও ইন্টারঅ্যাকশনের একটি সহজ উপায় ইউজারকে দিতে পারবে। হেলিও ১১০-এ রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চি থ্রিডি ডুয়েল কার্ভড অ্যামোলেড এফএইচডি প্লাস ডিসপ্লে, যার ১০৮০x২৪০০ রেজ্যুলেশন, ১২০ হার্টজ রিফ্রেশ রেট এবং ১০-বিট কালার ডেপথ কনটেন্টকে করবে আরও প্রাণবন্ত ও ফ্লুইড। ১০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেসের কারণে বাইরের উজ্জ্বল পরিবেশেও স্ক্রিনে কনটেন্ট দেখার অভিজ্ঞতাও হবে অনেক স্মুথ।