
আমন ধানখেতে সার ছিটানো, আগাছা পরিষ্কার ও কীটনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত সময় সময় পার করছেন পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার কৃষকরা। তবে সার ওষুধের দাম বেশি হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। দশমিনা কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে দশমিনা উপজেলায় ১৮ হাজার ২৫৮ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় প্রায় ১০০ হেক্টর বেশি। উপজেলার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, মাঠে মাঠে সবুজের সমাহার। কিন্তু উঁচু স্থানের প্রায় ধান বের হয়েছে। তবে নিচু স্থানের ধান গাছ গামর হয়ে উঠেছে। আর ১২ থেকে ১৪ দিনর মধ্যেই শীষ বের হবে। আর তাই ধানের বাম্পার ফলনের আশায় কৃষকরা খেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করছেন। একই সঙ্গে তারা খেতের আগাছা দমন এবং পোকাদমনের জন্য কীটনাশক স্প্রে করছেন। চলতি মৌসুম শুরুর দিকে আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় জমিতে চারা রোপণে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে কৃষকদের। তবুও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে জমিতে পানির সেচ দিয়ে বীচতলা তৈরি করেছেন। বর্তমানে প্রতিটি জমিতেই পর্যাপ্ত বর্ষার পানি রয়েছে। তবে এবছর আমন চাষে খরচ বেশি হচ্ছে বলে জানান কৃষকরা।
উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের দক্ষিন দাস পাড়া গ্রামের চাষি দেলোয়ার হোসেন হাওলাদার, জামাল মৃধা, আবুল হোসেন মৃধা, জামাল হাওলাদার, আলাউদ্দিন হাওলাদার, শংকর চন্দ্র শীল জানান, জমিতে আগাছা দমন, কীটনাশক স্প্রেসহ সার ছিটাচ্ছি। তবে এবছর ইউরিয়া সারের বস্তা কিনতে হয় ১ হাজার ৪০০ টাকায়। যা গত বছরের চেয়ে প্রায় ৬০০ টাকা বেশি।
তারা আরও জানান, ধানের ফলন ভালোই দেখায়। জিনিসপাতির দাম অনেক বেশি। তবুও চাষ করছি তা না হলে খাব কি। এবিষয়ে দশমিনা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জাফর অহমেদ বলেন, মাঠে ফলন অনেক ভালো দেখা যাচ্ছে। আমরা কৃষকদের সব ধরনের কৃষি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করছি। তিনি আরও বলেন, আমন মৌসুমে কৃষকদের বিনামূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে।