ঢাকা শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ইসলামী শিক্ষার সৃজনশীল জাগরণে উইটনে ‘ইসলামী স্টাডিজ প্রজেক্ট এক্সিবিশন’

ইসলামী শিক্ষার সৃজনশীল জাগরণে উইটনে ‘ইসলামী স্টাডিজ প্রজেক্ট এক্সিবিশন’

দেশে প্রথমবারের মতো ইসলামী স্টাডিজ প্রজেক্ট এক্সিবিশনের আয়োজন করেছে উইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি আয়োজিত এ প্রদর্শনীতে চারটি ক্যাম্পাসের এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শিক্ষার্থীরা গবেষণাভিত্তিক ও সৃজনশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে ইসলামকে একটি জীবন্ত জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরে। প্রজেক্টগুলোর মধ্যে ছিল ‘আল্লাহর মহিমান্বিত সৃষ্টি’, ‘ইসলামের পাঁচ স্তম্ভ’, ‘সালাত’, ‘যাকাত’, ‘হজ’, ‘লুকমান (আ.) এর হিকমাহ’ ও ‘জমজম কূপের ইতিহাস’-যা ধর্মীয় জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের সঙ্গে যুক্ত করে উপস্থাপিত হয়। আয়োজনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ভাইস প্রিন্সিপাল সাইদা মীরা তাবাসসুম। সহযোগিতায় ছিলেন পারভীন কাদর, মোহসিনা নিশাত শারমিন, সাইদা নাঈম ও আল-কোরআন কো-অর্ডিনেটর মুফতি মাসুম বিল্লাহ।

আরবি ও আল-কোরআন কো-অর্ডিনেটর মাওলানা মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীরা কোরআনের আয়াত ও নবীদের কাহিনি মুখস্থ করছে না; তারা চিন্তা করছে, প্রশ্ন করছে, বিশ্লেষণ করছে। যা প্রকৃত ইসলামী শিক্ষার উদ্দেশ্য। কেউ আল্লাহর সৃষ্টিজগত নিয়ে গবেষণা করছে, কেউ নবীদের জীবন থেকে শিক্ষাগ্রহণ করছে, কেউ আবার বিজ্ঞান ও ইসলামকে একত্রে দেখছে- এটাই জ্ঞানের আসল আলো।’ তিনি বলেন, ‘ইসলাম শুধু নামাজ বা রোজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কার্যকর নির্দেশনা প্রদান করে।’ প্রিন্সিপাল ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবদুল্লাহ জামান বলেন, ইসলামী স্টাডিজ শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় বিষয় নয়- এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধানের অধ্যয়ন। আমরা ইসলামকে পড়াই গবেষণাভিত্তিক ও সৃজনশীল উপস্থাপনার মাধ্যমে, যেমনভাবে বিজ্ঞান বা ইংরেজি শেখানো হয়।’ তিনি বলেন, ‘আজকের শিশুরাই আগামী দিনের সমাজ গঠন করবে। যদি আমরা তাদের এমন শিক্ষা দিতে পারি, যেখানে আল্লাহভীতি, মানবতা, নৈতিকতা ও জ্ঞানের প্রতি ভালোবাসা একসঙ্গে বিকশিত হয়, তাহলেই আমরা আলোকিত প্রজন্ম গড়তে পারব।’ সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত