ঢাকা রোববার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

বিএমইউর শিক্ষা ও গবেষণায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্যে ই-আইআরবি চালু

বিএমইউর শিক্ষা ও গবেষণায় যুগান্তকারী পরিবর্তনের লক্ষ্যে ই-আইআরবি চালু

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ)তে ই-আইআরবি চালু করা হয়েছে। এ উপলক্ষে গতকাল শনিবার শহীদ ডা. মিল্টন হলে ‘ই-আইআরবি ইন বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি: ইনোভেটিং রিসার্চ (e- IRB (Electronic Institutional Review Board) in Bangladesh Medical University: Innovating Research Ethics) শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পেপারলেস ও পরিবেশবান্ধব এই উদ্যোগ বিএমইউর গবেষণা ও শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী অটোমেশন পদক্ষেপ। যা গবেষণা নৈতিকতা নিশ্চিতকরণ এবং গবেষণা প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক করে তুলবে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের জন্য গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা সহজ হবে এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন গবেষণা পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমডিসির সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, কোনো উদ্যোগ নিলে চূড়ান্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে যোগ্য উত্তরাধিকার অবশ্যই তৈরি করতে হবে। গবেষণা হলো টিকে থাকার লড়াই। আবার মানবজাতির অস্তিত্বও এই লড়াইয়ের সঙ্গে যুক্ত। মূল্যবোধের কথা অবশ্যই স্মরণে রাখতে হবে। আর জ্ঞানের ভাণ্ডার সমৃদ্ধ করতে হবে সেই জ্ঞানে যা মানুষের জন্য, দেশের জন্য কাজে লাগে। তবেই সেই জ্ঞান অর্জন সার্থক হতে পারে। বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য খাতে ও বায়োমেডিকেল গবেষণাগুলোর ৮৫ শতাংশ গবেষণা দিয়ে কার্যত সুফল পাওয়া যায় না। এই অবস্থার উত্তরণ ঘটতে হবে। কারণ গবেষণায় প্রচুর অর্থ ব্যয় হয়, আর যদি সেটা কাজে না লাগে, এই বিষয়টাও বিবেচনায় রাখতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএমআরসির সম্মানিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. সায়েবা আখতার বলেন, কাজে জবাবদিহিতা থাকতে হবে। জীবনে মূল্যবোধকে সব সময়ই ধারণ করতে হবে। আর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকে এগিয়ে নিতে এর সঙ্গে জড়িত সবারই গবেষণার সক্ষমতা বৃদ্ধির উপর গুরুত্ব দিতে হবে। বিএমইউর সম্মানিত প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজদ বলেন, বিএমইউর বর্তমান প্রশাসন ই-লক বুক চালু, ডিজিটাল ক্লাস চালুর উদ্যোগ গ্রহণ, অনলাইনে টিকিট কাটা, পেমেন্ট করাসহ অটোমেশন কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। ই-আইআরবি চালুর ফলে টন টন কাগজের আর প্রয়োজন হবে না। এটা পরিবেশ রক্ষায় ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ে অবদান রাখবে। বিএমইউর সম্মানিত কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতার বলেন, ই-আইআরবি গবেষণা প্রক্রিয়া, কর্মকে ডকুমেনটেশন বা সংরক্ষণ করা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত