ঢাকা রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

খুলনায় লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ বোরো চারা রোপণ সম্পন্ন

খুলনায় লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ বোরো চারা রোপণ সম্পন্ন

খুলনা কৃষি অঞ্চলের কৃষকরা এরইমধ্যে চলতি মৌসুমে বোরো ধান রোপণের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ অর্জন করেছেন। তারা এ অঞ্চলের ৯৬ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ সম্পন্ন করেছেন। যা ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা আরও জোরদার করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

খুলনা অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা এবং নড়াইল জেলায় অবস্থিত খুলনা অঞ্চলের কৃষকরা সরকারের প্রয়োজনীয় সহায়তার মাধ্যমে নিবিড় বোরো ধান চাষ কর্মসূচি সফল করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি সুবিধা সরবরাহ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে খুলনা কৃষি অঞ্চলের ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭১৯ হেক্টর জমি থেকে ১২ লাখ ১০ হাজার ২৮৩ টন বোরো ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। এর মধ্যে কৃষকরা ১ লাখ ৬২ হাজার ৯৭০ হেক্টর জমি থেকে ৮ লাখ ১ হাজার ৬৯৬ টন হাইব্রিড জাতের বোরো ধান, ১ লাখ ১ হাজার ৬০৭ হেক্টর জমি থেকে ৪ লাখ ৮ হাজার ২৯৯ টন উচ্চফলনশীল জাতের ধান এবং ১৪২ হেক্টর জমি থেকে ২৮৮ টন স্থানীয় জাতের বোরো ধান উৎপাদন করবে।

কৃষকরা চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২ লাখ ৫৩ হাজার ২৫২ হেক্টরেরও বেশি জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ করেছেন। যা এই অঞ্চলে নির্ধারিত চাষের লক্ষ্যমাত্রার ৯৬ শতাংশ। এদিকে, উপকূলীয় জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণের কাজ এরইমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। কৃষকরা বোরো ধান চাষের আওতায় আরও নিচু জমি, বিল এবং নদী তীরবর্তী এলাকা নিয়ে এসেছেন। এ বছর বর্ষাকাল শুরু হওয়ার আগে ফসল কাটার জন্য ধান গাছের পরিচর্যা করছেন।

অতিরিক্ত পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অনুপ্রেরণায় কৃষকরা সংরক্ষণ কৃষি (সিএ)-ভিত্তিকে প্রযুক্তি গ্রহণ করেছেন। যার মধ্যে রয়েছে বিকল্প ভেজা ও শুকানোর (এডব্লিউডি) সেচ পদ্ধতি। একই সঙ্গে সেচের পানি সাশ্রয় এবং কম খরচে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বোরো ধান চাষ করছেন। এখন পর্যন্ত কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার ২ লাখ ৬৪ হাজার ৭১৯ হেক্টর জমিতে জৈব সার এবং সুষম সার প্রয়োগ করেছেন।

তিনি বলেন, কৃষকদের এ ডব্লিউডি সেচ পদ্ধতির মতো প্রযুক্তি গ্রহণ করা উচিত এবং সুষম ও জৈব সার ব্যবহার করা উচিত। যাতে কম খরচে সর্বোচ্চ বোরো ধানের ফলন পাওয়া যায়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত