
বেসরকারি পর্যায়ে দেশে চাল আমদানির মেয়াদ এক মাস বাড়িয়ে আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করে একটি নোটিশ জারি করেছে সরকার। গতকাল বৃহস্পতিবার বেনাপোল বন্দর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। গত বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক সংগ্রহ শাখার উপ-সচিব আরিফুল ইসলামের স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে বলা হয়েছে, বেসরকারিভাবে চাল আমদানির জন্য বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর চাল আমদানি ও বাজারজাতকরণের সময়সীমা আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হলো।
গত ১৮ জানুয়ারি ২৩২ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এবার সেগুলোর মধ্যে ১০টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে বাদ দিয়ে দেশের ২২২ আমদানিকারককে চাল আমদানির অনুমতি দিয়েছে সরকার।
সরকারের এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বেনাপোল স্থলবন্দরের চাল আমদানিকারকরা। তারা জানান, ঊর্ধ্বমুখী চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতে বেসরকারি পর্যায়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয় সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ জানুয়ারি থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। সেই আমদানির মেয়াদ ছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।
এদিকে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টানা আট দিন আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে বেনাপোল স্থলবন্দরে। ফলে ভারতের অভ্যন্তরে লোড করা চালবোঝাই ট্রাকগুলো সময়মতো বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে কি না তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আমদানিকারক আব্দুস সামাদসহ কয়েকজন জানান, সরকারের সময় বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে তাদের দুশ্চিন্তা কেটে গেছে। এখন অব্যাহতভাবে চাল আমদানি সম্ভব হবে এবং খোলাবাজারে চালের সরবরাহ বৃদ্ধি পাবে। এতে বাজারও স্থিতিশীল থাকবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।