
পবিত্র রমজান মাসকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামের প্রধান পাইকারি বাজারগুলোতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ব্যাপক আমদানি হওয়ায়, এই মাসে বেশিরভাগ পণ্যের দাম কমেছে ও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরে এসেছে। পণ্যের এই ব্যাপক আমদানির প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। মুসলমানদের সিয়াম সাধণার রোজার মাসকে সামনে রেখে, এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর অতি-মুনাফা করার অনৈতিক প্রবণতার বিপরীতে এবার অনেকটা উল্টো চিত্র দেখা গেছে। আর তাই এবারের রোজার বাজারের ‘উত্তাপ’ অনেকটাই কমে এসেছে বলে মনে করছে ক্রেতারা। কিছু পণ্যের দাম রোজা শুরুর সময়ের তুলনায় আরও নিম্নমুখী হয়েছে। এতে স্বস্তিতে রোজা পালন করতে পেরে, সাধারণ ভোক্তারা খুশি বলে জানিয়েছেন নগরীর চকবাজারে নিয়মিত বাজার করতে আসা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মজীবী কামাল উদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার সঙ্গে অর্থনৈতিক, তথা বাজার স্থিতিশীলতা যে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত তা দেখা গেছে জাতীয় নির্বাচনের ছয় দিন পর শুরু হওয়া রমজানের স্থিতিশীল ও সহনীয় বাজার ব্যবস্থায়।
কামাল উদ্দিন চৌধুরী আরও বলেন, রোজার শুরুতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোর দামে যে বাড়তি উত্তাপ ছিল, তা এখন অনেকটাই কমেছে। তিনি বলেন, লেবু, শসা ও বেগুনের মতো পণ্যের দাম কমার পাশাপাশি কিছু পণ্য রোজা শুরুর সময়ের তুলনায় আরও নিম্নমুখী হয়েছে। বিশেষ করে আলু ও পেঁয়াজের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। চকবাজারের ব্যবসায়ী আজমত আলী দ্রব্যমূল্যের দামের প্রসঙ্গে বলেন, রোজার আগে অনেক মানুষ একসঙ্গে দুই থেকে তিন সপ্তাহের বাজার করে রাখেন। ফলে সে সময় কিছু পণ্যের দাম বেড়েছিল। বর্তমানে সেই চাপ নেই। তিনি আরও বলেন, চাহিদা কমে যাওয়ার পাশাপাশি সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় আমদানি হওয়ায় বাজারে দামেও স্বস্তি ফিরেছে। রেয়াজুদ্দিন বাজারে কথা হয় এনজিও কর্মকর্তা শহীদুল ইসলামের সাথে। তিনি বলেন, ‘রোজাকে সামনে রেখে ব্যবসায়ীরা প্রতিবারই বাড়তি দাম রাখে বলে ধারণা ছিল।