
চট্টগ্রাম বন্দরে ভুয়া নথিপত্র ব্যবহার করে কনটেইনার পাচারের অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে তদন্ত শুরু হয়েছে। বন্দর সূত্র জানায়, ভুয়া কাগজপত্র ব্যবহার করে একটি কনটেইনার পাচারের চেষ্টা করা হয়। কনটেইনারটির এজেন্ট কন্টিনেন্টাল ট্রেডার্স, রোটেশন নম্বর ২৫/৩৮৭১ এবং ভেসেল ‘স্বদেশী চিটাগাং’। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ফাহিম এটেয়ার অ্যান্ড কম্পোজিট লিমিটেড। তবে কনটেইনারটিতে কী ধরনের পণ্য ছিল তা নিয়ে এখনও কোনো তথ্য দেয়নি বন্দর কর্তৃপক্ষ। তদন্তের পর পণ্য সম্পর্কে তথ্য দেওয়ার কথা জানিয়েছেন বন্দর কর্মকর্তারা।
এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, গত মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে জে এস ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টের ভুয়া অন-চেসিস অনুমতিপত্র, চালান ও গেট পাস ব্যবহার করে এনসিটি ব্যাকআপ ইয়ার্ড থেকে একটি ট্রেইলারে কনটেইনারটি তোলা হয়। পরে চট্টমেট্রো-ঢ-৮১-২৩৬৪ নম্বরের ট্রেইলারটি সিপিএআর গেট দিয়ে বন্দর এলাকা ত্যাগ করে।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিষয়টি জানতে পেরে বন্দর কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বিভাগ দ্রুত গোয়েন্দা তৎপরতা শুরু করে। একপর্যায়ে তারা কনটেইনারটির অবস্থান শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পরবর্তীতে একই দিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে নগরের হালিশহর বারনীঘাট এলাকায় শাহজালাল ট্রাক টার্মিনালের পাশে অবস্থিত বিএমডি সাইফুল ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ নামের একটি গ্যারেজে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ট্রেইলারসহ কনটেইনারটি আটক করা হয়। তবে অভিযানের সময় পাচারের সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যায়। এ কর্মকর্তা আরও বলেন, এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। পাশাপাশি বন্দর থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে।