
সরকারি জলমহাল ইজারা প্রদান সংক্রান্ত কমিটির ৯০তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি। সভায় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এবং মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ. এস. এম. সালেহ আহমেদসহ মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় মন্ত্রী বলেন, জলমহাল কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়, এটি জনগণের। তাই জনস্বার্থ, পরিবেশ সংরক্ষণ, এবং দরিদ্র মানুষের জীবিকা রক্ষার স্বার্থে কর্তৃপক্ষকে মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই ব্যবস্থাপনার দিকে এগোতে হবে। তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী আমরা ‘জাল যার জলা তার’ এই নীতিতে বিশ্বাসী। অতীতে এইসব ইজারা প্রদানের ক্ষেত্রে অনেক অনিয়ম করা হয়েছে। তাই অতিদ্রুত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে প্রস্তাবিত তালিকা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের জন্য সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী হেলাল উদ্দীন বলেন, জেলা থেকে জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত যে সুপারিশগুলো আসছে তা রিভিউ করা দরকার। তিনি বলেন, ‘প্রচলিত আইন ও নীতিমালার আলোকে স্থানীয় সংসদ সদস্যদের পরামর্শ নিয়ে প্রস্তাবগুলো রিভিউ করতে হবে যাতে ইনক্লুসিভ ও ফুলপ্রুফ কাজ হয় এবং এতে কোন ফাঁক-ফোকর থাকবে না যাতে করে কেউ কোন প্রশ্ন তুলেতে পারে।’ উল্লেখ্য, গতকালের সভায় সুনামগঞ্জ জেলার জলমহাল ইজারা সংক্রান্ত প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এছাড়া গতকালকের সভায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বিল চুড়ইল (বদ্ধ) জলমহালটি খনন প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।