
চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলার কেওচিয়া গ্রামের বাসিন্দা মাওলানা নুরুল হক। গত সোমবার দিবাগত রাতে তার ঘুম ভাঙে সুঁচ ফোটানোর আঘাতে। পাশে রাখা ল্যাম্পের বাতি বড় করে হাতের দিকে তাকালে দেখতে পান দুই দাতের ক্ষত। সামনে চোখ ফেলতেই দেখতে পান বিষধর এক সাপ ফণা তুলে আছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে এ যাত্রায় প্রাণে বেঁচে গেছেন তিনি। এদিকে খবর পেয়ে ওয়াইল্ড লাইফ অ্যান্ড রেসকিউ টিমের সদস্যরা গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওই ঘর থেকে বিষধর পদ্মগোখরাটি জব্দ করেন।
শুধু সাতকানিয়া নয় সোমবার সন্ধ্যায় পাশের উপজেলা পটিয়ার হাবিলাসদ্বীপ ইউনিয়নের বাসিন্দা জরিপ আলীকেও সাপে কাটে। এ সময় পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। ঘরের অদূরে হঠাৎ পায়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন। বুঝতে পারেন সাপে কেটেছে। পরিবারের সদস্যরা তাকে রাতেই চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
ডাক্তাররা জানালেন, নির্বিষ সাপ হওয়ায় তিনি বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন।