
টানা কয়েক দিনের বৃষ্টির পর বরিশালে কমেছে অধিকাংশ সবজির দাম। তবে নদীর মাছের সরবরাহ কম থাকায় চাষের মাছের ওপর বেড়েছে চাপ। ফলে সপ্তাহের ব্যবধানে বিভিন্ন মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খাচ্ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
গতকাল সোমবার সকালে বরিশাল নগরীর বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজির বাজার ও পোর্ট রোডের মাছের বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পাইকারি বাজারে দেখা যায়, করলা ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৪০, পেঁপে ১৫-২০, পটোল ৩০-৩৫, রেখা ২০, লাউ ২৫, মিষ্টি কুমড়া ২৫-৩০, শসা ১৫, ঢেঁড়স ৩৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া লেবু বিক্রি হচ্ছে ৩ টাকা হালি দরে। এসব সবজি খুচরা বাজারে অবশ্য কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
কয়েক দিন আগেও ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন ৬০ টাকায় নেমে এসেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি হওয়ায় সরবরাহ বেড়েছে। পাশাপাশি বৃষ্টির কারণে বাজারে বেচাকেনা কমে যাওয়ায় সবজির দামও কমেছে।
বাংলাবাজারে বাজার করতে আসা রাসেল বলেন, চার-পাঁচ দিন আগেও ৮০-১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছিল না। এখন দাম অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। এভাবে দাম কম থাকলে সাধারণ মানুষের জন্য সবজি কেনা সহজ হবে। তবে ব্যবসায়ীরা যাতে ইচ্ছেমতো দাম নির্ধারণ করতে না পারেন, সেজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং প্রয়োজন। আরেক ক্রেতা ফরিদ বলেন, কয়েক দিন আগেও কাঁচামরিচ ৩০০-৪০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। এখন সেটি ৬০ টাকা। তখন বৃষ্টির কারণে সরবরাহ কম থাকার কথা বলা হয়েছে, আবার এখন বৃষ্টির কারণে বেচাকেনা কম বলে দাম কমানোর কথা বলা হচ্ছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা দরকার।
বহুমুখী সিটি মার্কেটের পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী শুভ বলেন, কয়েক দিনের বৃষ্টিতে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়েছিল। এখন সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। তবে বৃষ্টির কারণে বাজারে বেচাকেনা কম হওয়ায় ব্যবসায়ীদেরও লোকসান গুনতে হচ্ছে।