
জ্বালানি সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণের পর গতকাল রোববার দেশের শেয়ারবাজারে ঢালাও দরপতন হয়েছে। প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে ডিএসইতে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। ইরান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে দেখা দেওয়া জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় গতকাল রোববার থেকে অফিসের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করেছে সরকার। সেই সঙ্গে ব্যাংক ও শেয়ারবাজারের লেনদেনের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সূচিতে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু হওয়ার পরপরই এদিন শেয়ারবাজারে অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমে যায়। ফলে লেনদেনের শুরুতেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে।
লেনদেনের শেষ পর্যন্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম কমার প্রবণতা অব্যাহত থাকে। এমনকি লেনদেনের শেষদিকে পতনের মাত্রা বেড়ে যায়। এতে দিনের লেনদেন শেষ ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে মাত্র ২৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৩৫৪টির।